এখন থেকে সরকারের অনুমতি নিয়ে কাঁচা পাট রফতানি করতে হবে। গত ৮ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে ওই পরিপত্রের আগে যেসব চালানে জাহাজীকরণ বা শিপিং বিল দাখিল করা হয়েছে, সেগুলো এ বিধিনিষেধের বাইরে থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগের পরিপত্র অনুযায়ী কাঁচা পাট রফতানিতে শর্তযুক্ত করা হয়েছে। যেসব চালানে কাঁচা পাট রফতানির উদ্দেশে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাহাজীকরণ বা শিপিং বিল দাখিল করা হয়েছে, সে সব চালান উল্লিখিত পরিপত্রের আওতার বাইরে থাকবে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে কাঁচা পাট রফতানি বন্ধ করার জন্য বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশন গত ২৫ আগস্ট বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের কাছে যৌথভাবে একটি আবেদন করে। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্তটি নিয়েছে।
প্রসঙ্গত, বিদ্যমান রফতানি নীতি ২০২৪-২৭এ শর্ত সাপেক্ষে পণ্য রফতানির একটি তালিকা রয়েছে। এই তালিকায় এতদিন কাঁচা পাট ছিল না। ফলে ওই রফতানি নীতির আলোকে কাঁচা পাট রফতানি করা যেতো। তবে গত ৮ সেপ্টেম্বর রফতানি নীতি সংশোধন করে পরিপত্রে শর্তযুক্ত পণ্য তালিকার ১৯ নম্বর ক্রমিকে কাঁচা পাটকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।