এখন একটু লম্বা ছুটি মানে কক্সবাজারে পরিবারসহ ছুট। এমনকি শুক্র শনিবারের ছুটিতেও এখন কক্সবাজারে পা ফেলার জো থাকে না। লাবনী, সুগন্ধা, কলাতলী পয়েন্টগুলোতে এখন বিচে এত ভিড় নিজের মতো একটু সমুদ্র দেখবেন, সে উপায় নেই। তাহলে, পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ সৈকতে কীভাবে ছুটি উপভোগ করবেন। এখন একদিন সময় হাতে রেখে টেকনাফের আশেপাশে সৈকতে সময় কাটানোর চেষ্টা করেন অনেকে। সে এক অপরূপ দৃশ্য। এসব এলাকায় সবচেয়ে মোহময় হলো সূর্যাস্ত দেখা। সত্যি অসাধারণ অভিজ্ঞতা—সমুদ্র, নৌকা, আকাশের রঙের মেলবন্ধন একসাথে অনুভব করা যায়। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68eb8b38abc2f" ) ); দুপুরের দিকে বেরিয়ে যান
খুব ভোরে কক্সবাজারের বিচে সময় কাটিয়ে সকাল আটটার ভেতর রুমে ফিরে রেস্ট করে নিন। দুপুরের খাবার খেয়ে একটা চান্দের গাড়ি ভাড়া করে বেরিয়ে পড়েন টেকনাফের উদ্দেশ্যে। পথে ইনানীতে নেমে কিছু সময় কাটাতে পারেন। খেয়াল রাখবেন টেকনাফ পৌঁছাতে যাতে সূর্যাস্তের সময় পার হয়ে না যায়। ইনানীর ব্রেকের পরে আবারও টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওনা দিবেন। এখান থেকে টেকনাফে পৌঁছানোর আগে পর্যন্ত রাস্তা উপভোগ করুন। একদিকে পাহাড়, আরেকদিকে টানা সমুদ্র। প্রকৃতি যেন নিজ হাতে সাজিয়েছে আপনার উপভোগের জন্য। টেকনাফ পৌঁছানোর পরে যে কোনও জায়গায় নেমে যেতে পারেন। এখানে বিচগুলো একদম ফাঁকা। কিছু জায়গায় জেলেদের দেখা পাবেন, কিছু জায়গায় এলাকার কিশোরেরা ফুটবল খেলছে দেখবেন। নিজেদের মতো নেমে সন্ধ্যা নামার অপেক্ষা করুন। সন্ধ্যায় এখানকার আকাশ আর সমুদ্রের মেলবন্ধন দেখার সুযোগ কোনভাবেই হাতছাড়া করবেন না। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68eb8b38abc60" ) ); টেকনাফে কিছু জায়গা আছে যেখান থেকে সূর্যাস্ত সবচেয়ে সুন্দরভাবে দেখা যায়। এরমধ্যে টেকনাফ সি বিচ অন্যতম। শহর থেকে কিছুটা পশ্চিমে। জঙ্গল ও উপকূলের সংমিশ্রণ দৃশ্য সুন্দর। এছাড়া আছে নাফ নদীর তীর, যেখানে নদীর অপর প্রান্তে সূর্য দোলা দেয়। এখানকার পানির প্রতিফলন সুন্দর হয়। আছে শ্যামলপুর পাহাড়ি স্থান, যেখানে উপকূল ও পাহাড়ের সংযোগ দেখার সুযোগ হবে। এ এলাকায় উঠতে পারলে সূর্যাস্তের আভা অন্য আবেশ আনে। শিলখালী বা হাজমপাড়া সৈকত অংশে জনসমাগম সবসময় কম থাকে, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিজের মতো কাটান। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68eb8b38abc88" ) ); মনে রাখবেন
সময়ের আগে পৌঁছান— সূর্যাস্ত শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট আগে সেখানে থাকলে রঙ পরিবর্তন ও আলো ধাপে ধাপে ক্যাপচার করতে পারবেন। চাইলে স্থানীয় গাইড বালকদের জিজ্ঞেস করে নিতে পারেন কোন বিচ নিরাপদ। তারা এমন ছোট টুকরা জায়গা জানে যেখানে ভিড় কম থাকে। আরামদায়ক পোশাক ও চপ্পল বা স্যান্ডেল পরবেন যাতে খেয়াল খুশি মতো সৈকতে হাটা, পা পানিতে নামা ইত্যাদিতে সমস্যায় না পড়তে হয়। বৃষ্টির সম্ভাবনা ও আবহাওয়া খেয়াল রাখুন— মেঘলা দিনেও সূর্যাস্ত কিছুটা দেখা যায়, তবে পরিষ্কার দিন বেশি ভালো হবে। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68eb8b38abcac" ) ); কক্সবাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে চান্দের গাড়ি পাওয়া যায় এটা একধরনের খোলা জিপ, এই গাড়িতে গেলে আশপাশটা পুরোপুরি দেখতে সুবিধা হয়, খরচও কম পড়ে। বৃষ্টির দিনে এই গাড়ির ওপরে শেড দিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। যেখানে সেখানে চান্দের গাড়ি ভাড়া করার সুযোগ থাকলেও চেষ্টা করবেন হোটেলের পরিচিত গাড়ি নিতে। এতে ভাড়ার বিষয়টিও আপনার নাগালে থাকবে এবং চালক পরিচিত হওয়ায় আপনার যাত্রা হবে নিরাপদ।