আইন সংশোধন সংক্রান্ত কাজ ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন করতে চায় সরকার

আইন সংশোধন সংক্রান্ত কাজ ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন করতে চায় সরকার

আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, যেকোনও আইনি সংশোধনের কাজ ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন করতে চায় সরকার। নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর কোনও আইনি সংশোধন করার সুযোগ নেই। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের বিষয়ে সরকার অবিচল। এ বিষয়ে আমাদের কোনও রকম দ্বিতীয় চিন্তা নেই।

রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমির দোয়েল হলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। এতে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজসহ রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আমাদের সমস্ত সংস্কার কার্যক্রম চলছে। আমরা টিমের মতো কাজ করছি। কয়েকটি তথ্য আপনাদের জানানো জরুরি মনে করছি। প্রায় সময় অনেকে বলেন সংস্কার কীভাবে হচ্ছে বা কবে শেষ হবে। বিষয়টি পরিষ্কার করা দরকার। প্রথম যে ছয়টি সংস্কার কমিশন হয়েছিল, এর মধ্যে, সেসব কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য বিষয়গুলো বাছাই করেছি। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি ইতোমধ্যে বাস্তবায়নাধীন। আমরা আশা করি, ডিসেম্বরের মধ্যে ৭০ শতাংশ সম্পন্ন করতে পারবো।

তিনি বলেন, সংবিধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য প্রয়োজন। এগুলো আমরা অধ্যাদেশ বা নির্বাহী আদেশে তা করতে পারি না। এ বিষয়ে ঐক্যমত্য কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু কিছু বিষয় এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেন এগুলো সংবিধানকে টাচ করে। আসলে টাচ করে না। যেমন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রধান কে হবেন, এর জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন নেই। রুলস অব প্রসিকিউশন চেঞ্জ করলেই হয়। আর সংস্কার প্রস্তাবে কিছু বিষয় আমাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়নি। যেমন দুর্নীতির কৌশলপত্র প্রণয়ন। এটি একটি রুটিন কাজ। এমন অনেক বিষয় আছে। শুনলে মনে হয় সাড়ে ৮শ’, আসলে তা নয়। এখানে কিছু আছে নিয়মিত কাজ, কিছু আছে নির্বাহী আদেশে করা যায় আবার কিছু অধ্যাদেশের মাধ্যমে করা যায়। কিছু কাজ করা যায় না। এর মধ্যে ছয়টি বিষয় সাংবিধানিক ইস্যু। আর পাঁচটি কমিশনের বিষয়ে হয়তো অনেকের প্রশ্ন থাকতে পারে। এসব কমিশনের বিষয়ে ফওজুল করিম খান ও ওয়াহিদ উদ্দিনের মাহমুদের নেতৃত্বে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

আইন উপদেষ্টা বলেন, আমাদের যদি নিয়ত থাকে গণঅভ্যুত্থানের ঐক্য ধরে রাখবো ও ফ্যাসিবাদকে ফিরে আসতে দেবো না। এটাই যদি আমাদের সবচেয়ে বেশি বড় নিয়ত হয়, তবে কোনও কিছুই সমাধান কঠিন হবে বলে মনে করি না।

Comments

0 total

Be the first to comment.

নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক হলেন হাসানুজ্জামান BanglaTribune | জাতীয়

নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক হলেন হাসানুজ্জামান

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মাঠ পর্যায়ে কর্মরত পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামানকে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস...

Sep 15, 2025

More from this User

View all posts by admin