চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ১৬ রানে হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। আজ বুধবার বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজ বাঁচাতে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে লিটন দাসের দলের। সন্ধ্যা ৬টায় ম্যাচটা সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস ও নাগরিক টিভি।
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতাই মূল পার্থক্য গড়ে দেয়। ধারাবাহিক ভুলে টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডার উইকেট বিলিয়েছে। যা কাজে লাগিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ক্যারিবিয়ানরা।
অধিনায়কত্ব গ্রহণের পর থেকে লিটন দাসের নেতৃত্বে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে বাংলাদেশ। ঘরে ও বিদেশের মাটিতে টানা চারটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে তার দল। এ বছরই বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস ও আফগানিস্তানের মতো দলকে হারিয়েছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের পর প্রশ্ন উঠেছে—তাদের এই ধারাবাহিকতা টিকবে তো?
প্রথম ম্যাচের ব্যাটিং ব্যর্থতা কাটিয়ে ওঠা এখন দলের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। লিটন দাস, শামীম হোসেন ও নুরুল হাসান সোহানের দ্রুত আউট হওয়া ব্যাটিং লাইনআপের দুর্বলতা স্পষ্ট করেছে। তবে প্রথম ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে পেসার তানজিম হাসান সাকিব বলে গেছেন, ‘পরের দুই ম্যাচে আমরা ফিরে আসবো ইনশাআল্লাহ। পিছিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। আর এক ম্যাচ হারলে সিরিজ হাতছাড়া। ফলে ঘরের মাঠে সিরিজ জয়ের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। বিদেশে যেমন ভালো খেলেছি, ঘরেও আমাদের সেই সুবিধা আছে। পরের দুই ম্যাচ জিততেই হবে।’
পরিসংখ্যান বলছে প্রথম টি-টোয়েন্টি হেরে সিরিজ জয়ের রেকর্ড বাংলাদেশের খুব বেশি নেই। এখন পর্যন্ত ২৪টি তিন ম্যাচের সিরিজে এমন অবস্থান থেকে জিতেছে মাত্র ৬টি। উল্লেখযোগ্য ম্যাচগুলোর মধ্যে আছে ২০১৮ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর। সেবার প্রথম ম্যাচ হেরে পরের দুটি জিতে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও প্রথম ম্যাচ হেরে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে তারা।
চট্টগ্রামে আজ তাই নজর থাকবে লিটন দাসের দলের ওপর। তারা কি আবারও সেই লড়াকু মানসিকতা দেখাতে পারবে? অবশ্য শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা হওয়া নিয়েও শঙ্কা আছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’র কারণে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথাও বলা হচ্ছে।