আমাদের আছে লড়াই করে যাওয়ার শক্তি  | প্রথম আলো

আমাদের আছে লড়াই করে যাওয়ার শক্তি  | প্রথম আলো

শুরু থেকেই প্যানেল গোছাচ্ছিলেন। এরপরও সব পদে প্রার্থী দিতে পারলেন না কেন?

ফুয়াদ রাতুল: আমরা শুরু থেকে চেষ্টা করেছি ক্যাম্পাসে যারা গণতান্ত্রিক চিন্তায় বিশ্বাসী, তাদের নিয়ে একটা প্যানেল দেওয়ার। কিন্তু ৫ আগস্টের পর শিবির যেভাবে শিক্ষার্থীদের বুলিং করেছে, যাঁরা শিক্ষার্থীদের হয়ে নানা সময়ে কথা বলেছেন, তাঁদের যেভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, বিশেষ করে যাঁরা বাম ধারার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তাঁদের, সে জায়গা থেকে ক্যাম্পাসের সামাজিক সংগঠনের যাঁরা প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন, তাঁরা প্যানেলে আসাটা নিরাপদ মনে করেননি।

আপনাদের কেন ভোট দেবেন?

ফুয়াদ রাতুল: আমাদের প্যানেলে প্রচুর অর্থ নেই। আতর বিতরণ বা বিরিয়ানি পার্টি করার যে কথা শোনা যাচ্ছে, তা আমরা করতে পারব না। তবে আমাদের আছে লড়াই করে যাওয়ার শক্তি। লড়াইয়ে দেখেছে বলেই শিক্ষার্থীরা আমাদের ভোট দেবেন বলে মনে করি।

আপনাদের প্যানেলে নারী প্রার্থী মাত্র একজন। তিনি কি সব নারীর প্রতিনিধিত্ব করেন?

ফুয়াদ রাতুল: মনোনয়নপত্র তোলার সময়ও অনেক সাধারণ নারী শিক্ষার্থী আমাদের সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু পরে মনোনয়ন তোলার ছবি প্রকাশিত হলে ওই নারী শিক্ষার্থীরা ট্যাগিং ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হন। নিরাপত্তাহীনতার কারণে তাঁরা প্রার্থী হতে অনীহা প্রকাশ করেন।

‘বামদের মধ্যে শিবির ঢুকে গেছে’, এমন আলোচনা কেন?

ফুয়াদ রাতুল: সংগঠনগুলোর মধ্যে যতই মতাদর্শগত দ্বন্দ্ব থাকুক, একে অপরের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেবে, এটা তো হয় না। স্বাভাবিকভাবেই যখন একটি রেস্তোরাঁয় শিবিরের সভাপতির সঙ্গে দেখা হয়, তখন সৌজন্যতা প্রকাশ করি। সেটাকে অনলাইনে দিয়ে ছাত্রদল কী রাজনীতি করতে চাইছে, বোধগম্য নয়।

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin