বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস বলেছেন, চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে তার দল কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখ পড়ুক। এমনটা হলে সেটা আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা ও ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে বড় ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশের সামনে মূল আসরের আগে রয়েছে মাত্র দুটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ। প্রথমটি কাল সোমবার শুরু হবে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে। দ্বিতীয়টি হবে আগামী মাসে ঘরের মাঠে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।
আসন্ন সিরিজ দিয়ে ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরছেন লিটন দাস। এশিয়া কাপ ও আফগানিস্তান সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। সোমবার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, আমি চাই আমাদের খেলোয়াড়রা এই দুটি সিরিজে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ুক—তা ব্যাটিং হোক বা বোলিংয়ে। আমি চাই বোলাররা চাপের মধ্যে বোলিং করুক, কারণ এটা বিশ্বকাপের আগে আমাদের অনেক সাহায্য করবে।’
ইনজুরি থেকে সেরে মাঠে ফেরার অনুভূতি নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে খেলতে না পারা সত্যিই কষ্টের। শুধু এশিয়া কাপ নয়, আফগানিস্তান সিরিজও আমি ঘরে বসে দেখেছি। তখন আমি ভালো ফর্মে ছিলাম, পারফর্মও করছিলাম, দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলাম। তাই বাইরে বসে দলের খেলা দেখা খুব কষ্টের ছিল। তবে মেনে নিতে হয়—ইনজুরি এমন কিছু যা কারও হাতের মধ্যে থাকে না।’
এদিকে, নাজমুল হোসেন শান্ত টেস্ট অধিনায়কের দায়িত্ব ছাড়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এখন নতুন নেতৃত্ব খুঁজছে। আগেও বিকল্প অধিনায়ক হিসেবে লাল বলের দায়িত্ব সামলেছেন লিটন। বর্তমানে তিনি টি-টোয়েন্টি দলের নিয়মিত অধিনায়ক। তবে এখন পর্যন্ত তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি, ‘এখন পর্যন্ত আমি কিছুই জানি না। যদি তারা মনে করে আমি উপযুক্ত, নিশ্চয়ই আমার সঙ্গে কথা বলবে। দেখি শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত হয়। একজন ক্রিকেটারের জন্য টেস্ট অধিনায়ক হওয়া বিশাল ব্যাপার—আমি মনে করি, কেউই সেটা ফিরিয়ে দেবে না। তবে এখন পর্যন্ত আমাকে কিছু জানানো হয়নি।’