জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সদ্য নিয়োগ পাওয়া সিনিয়র সচিব মো. এহসানুল হক বলেছেন, আমি কখনো নিরপেক্ষতা হারাইনি। নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তা নিরপেক্ষভাবে পূরণ করবো।
নির্বাচনকে সামনে রেখে জনপ্রশাসনের বড় দায়িত্ব দেওয়া হলো এ বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন আমাদের যেভাবে দায়িত্ব পালন করতে বলবে সেভাবে দায়িত্ব পালন করব।
নির্বাচনকে সামনে রেখে এ দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন কিনা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিশ্চয়ই নির্বাচন একটা চ্যালেঞ্জ। আমি আশা করি আমাদের যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আছেন ওনারা যেভাবে বলবেন প্রশাসন সেভাবে চলবে। 'আমি মনে করি আমার মাঠ প্রশাসন সম্পন্ন নিরপেক্ষভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচন কমিশন যেভাবে বলবে সেভাবে দায়িত্ব পালন হবে। '
রাজনৈতিক কোনো পক্ষপাত থাকবে কিনা, প্রশ্নই আসে না। আমি আশা করছি আমার অফিসাররা এরকম করবে না। 'আমার ধারণা এ চ্যালেঞ্জটা, আগেও তো নির্বাচন হয়েছে, ২০০৯ সালেও নির্বাচন হয়েছে। এর আগেও হয়েছে। আমাদের অফিসাররা তো খারাপ করেনি। আমরা যদি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাই ডেফিনেটলি আমার অফিসাররা সবাই নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। সেই সুযোগ টুকু দেওয়ার মালিক আমাদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার। '
সে সুযোগ পাবেন বলে আপনি মনে করছেন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিশ্চয়ই। আমার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ওপর আস্থা আছে। আমি মনে করি উনি একটা সুন্দর নির্বাচন দেবেন। প্রধান উপদেষ্টাও বলেছেন সবচেয়ে সুন্দর নির্বাচন হবে।
এই দায়িত্ব পেয়ে আপনি কি অনেক খুশি প্রশ্নেরে জবাবে তিনি বলেন, এটাকে আমি ট্রান্সফার (বদলি) হিসেবে ধরছি। ওখানেও আসলে খারাপ ছিলাম তা না।
বিগত জনপ্রশাসন সচিব নানা অভিযোগের ভিত্তিতে চলে গেছেন, আপনি সে জায়গায় কতটা স্বচ্ছ থাকবেন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার ব্যাচমেট উনি, ওনার সম্পর্কে কিছু বলব না। আমি আমার সম্পর্কে বলতে পারি আমি কখনো নিরপেক্ষতা হারাইনি। সরকারের পট পরিবর্তন পর গত বছরের ১৭ আগস্ট অবসরপ্রাপ্ত পাঁচজন অতিরিক্ত সচিবকে পদোন্নতি দিয়ে দুই বছরের চুক্তিতে সচিব নিয়োগ দেয় সরকার। তাদের মধ্যে এহছানুল হককে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে তিনি সিনিয়র সচিব হন। গত ২১ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমানকে পরিকল্পনা কমিশনে বদলি করা হয়। এরপর থেকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এ মন্ত্রণালয়ের সচিব পদটি শূন্য ছিল। এমআইএইচ/আরআইএস