হামজা চৌধুরীর দুই গোলে লিড নেয় বাংলাদেশ। তবে পেশির চোটে তিনি মাঠ ছেড়ে যাওয়ার পর দল ছিল ছন্নছাড়া। নেপাল নতুন উদ্যমে ঝাঁপিয়ে পড়ে ম্যাচ ২-২ এ ড্র করে। শেষ মুহূর্তে জেতা ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ায় সমর্থকরা হতাশ। স্টেডিয়ামে তো হাভিয়ের কাবরেরার পদত্যাগ দাবিতে দর্শক মিছিল করেছে। ফিফা প্রীতি ম্যাচ ড্র হওয়ায় দায় নিজের কাঁধে নিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে স্প্যানিশ কোচ বলেছেন, ‘আবারও হতাশাজনক, বিশেষ করে ম্যাচের শেষটা। একটা বিচ্ছিন্ন মুহূর্তে তারা গোল পেলো এবং আমরা পিছিয়ে গেলাম। তবে বিরতির পর আমরা যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছি, সেটা ভালো দিক। এটা আমাদের নেওয়া উচিত। কিন্তু সামগ্রিকভাবে হতাশাজনক এক পারফরম্যান্স।’
বাংলাদেশ দল শেষ মুহূর্তে গোল হজম করেছে। এমন পরিস্থিতি নিয়ে কাবরেরার ব্যাখ্যা, ‘এই উইন্ডোর মূল লক্ষ্য হলো ভারতের বিপক্ষে তিন পয়েন্ট অর্জন করা। সেখানে মনোযোগ দিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমি বলবো না এটা মানসিক সমস্যা। এমন পরিস্থিতির মোকাবিলায় শতবার অনুশীলন করেছি। কিন্তু যেকোনও কারণে আজ সেটা কাটাতে পারিনি। এমনটা হতে পারে, কিন্তু এটা সত্যি যে বারবার ঘটছে।’
হামজার চোট গুরুতর নয় বলে জানালেন বাংলাদেশ কোচ, ‘না, গুরুতর কিছু নয়। সামান্য পেশির টান। এমন কিছু হয়নি যাতে করে ভারত ম্যাচের জন্য ঝুঁকিতে থাকবে।’
কাবরেরা বলেন, ‘আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অনেক সময় এসব পরিস্থিতি আমরা ভালোভাবেই সামলাই, কিন্তু ফুটবলে যেকোনও কিছু ঘটতে পারে। প্রতিপক্ষও এসব নিয়ে কাজ করে। আমাদের কাজ হলো ভুলগুলো ঠিক করা এবং ভারতের ম্যাচে যেন এমন না হয় তা নিশ্চিত করা।’
এরপর পরিতাপের সুরে বাংলাদেশ কোচ যোগ করেন, ‘আমরা জয়ের লক্ষ্যেই নেমেছিলাম এবং আজ আমাদের জেতা উচিত ছিল। বাস্তবতা হলো আমরা পারিনি, আজ যা হয়েছে তা মেনে নিতে হবে। কিন্তু খুব নেতিবাচকভাবে নেওয়া ঠিক নয়। এখন মনোযোগ দিতে হবে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে জয়ের দিকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ম্যাচটির ফল নিয়ে আমি খুশি নেই। হতাশাজনক, কারণ আমরা প্রায় জিতেই গিয়েছিলাম। যদিও পারফরম্যান্স নিয়ে আমরা গর্বিত নই, তবুও জয়টা কাছে ছিল।’