বাবা শরীফ আহমেদ একসময় ঢাকার ফুটবলে খেলেছেন। তবে উচ্চতর পড়াশোনার কারণে ইস্কাটন যুব সংঘে খেলার সময় ভারতের পর ১৯৯৪ সালে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্র। দেশের ফুটবলে ইতি সেখানেই। তবে নিজের লালিত স্বপ্নের কথা তখনও জিইয়ে রেখেছিলেন। অবশেষে বর্তমান সময়ে এসে নিজে না পারলেও বড় ছেলে জায়ান আহমেদের মাধ্যমে এসে স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে হংকংয়ের বিপক্ষে প্রাথমিক দলে ডাক পেয়েছেন ২১ বছর বয়সী জায়ান। উচ্ছ্বসিত বাবা শরীফও।
বাবার পথ ধরেই আগ্রহের কারণে ছেলের ফুটবলে আসা। খেলছেন লেফট ব্যাক হিসেবে। ভার্জিনিয়ার জর্জ ম্যাশন বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে স্পেন, ডেনমার্কসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি একাডেমিতে অনুশীলন করেছেন এবং টুর্নামেন্টও খেলেছেন। ঢাকায় এসে অনূর্ধ্ব ২৩ দলে সাফল্যের সঙ্গে খেলে এবার হাভিয়ের কাবরেরার দলে জায়গা করে নিয়েছেন।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68d93242d6551" ) ); এমন খবর শুনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে শরীফ আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘১৯৯৪ সালে আমি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাই। ৩০ বছর হলো সেখানে আছি। যার কারণে দেশে ফুটবল চর্চাটা আর হয়নি। আমি চেয়েছিলাম লাল সবুজ দলে জায়গা করে নেবো। অনূর্ধ্ব ১৬ দলে খেলেছিও। তবে পড়াশোনার কারণে আর ক্যারিয়ার বাড়েনি। এখন আমার ছেলে বছর দেড়েক আগে দেশের হয়ে খেলতে চেয়েছে। এখন ওর স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। ও নিজেও অনেক খুশি। আমি সহ পরিবারের সবাইও। আমার ছোট ছেলে ও মেয়েও ফুটবল খেলছে। তাই বাসায় সবাই আনন্দিত।’
জায়ান জাতীয় দলের চূড়ান্ত স্কোয়াডে জায়গা করে নেবে অনেকটা নিশ্চিত। ডিফেন্ডার হয়ে জায়ানের পারফরম্যান্স কাবরেরা সহ সবার বেশ পছন্দ। তবে জায়ান জাতীয় দলে জায়গা পেলেও আপাতত বাংলাদেশ লিগে খেলবেন না। শরীফ আহমেদ বললেন, ‘ওর পড়াশোনা এবছর শেষ হবে। এরপরই আমরা দেখবো ও কোন দেশের লিগে খেলতে পারে। আপাতত স্কাউটিং চলছে। তবে এর মধ্যে জায়ান জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেলে খেলবে।’