দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) ‘আইসিএমএবি স্টার্টআপ ইনকিউবেশন সেন্টারের (আইএসআইসি)’ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) ঢাকার নীলক্ষেতস্থ আইসিএমএ ভবনের সপ্তম তলায় এর উদ্বোধন করা হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে একটি গতিশীল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা এবং সদস্যদের মধ্যে সৃজনশীলতা ও উদ্যোগী মানসিকতা বিকাশ করা।
আইএসআইসি’র মূল উদ্দেশ হচ্ছে অ্যাকাউন্টিং ও ফাইন্যান্স খাতে টেক-চালিত ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সহায়ক স্টার্টআপগুলোর বিকাশে আইসিএমএবি-কে একটি জাতীয় হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে গবেষণাভিত্তিক, সামাজিক দায়িত্বশীল ও টেকসই উদ্যোগকে উৎসাহিত করে জাতীয় উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সিএমএ পেশার বৈশ্বিক অবস্থান সুদৃঢ় করাই এর লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইসিটি বিভাগ, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনারশিপ অ্যাকাডেমি (আইডিইএ) প্রকল্পের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) জনাব মর্তুজা জুলকার নাঈন নোমান।
উদ্বোধনী বক্তৃতায় আইসিটি সচিব আইসিএমএবি’র এই দূরদর্শী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি গঠনে উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
আইসিএমএবি’র প্রেসিডেন্ট মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘প্রচলিত পথে সবসময় সমাধান আসে না, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের নতুনভাবে চিন্তা করতে হবে, উদ্ভাবন করতে হবে এবং এগিয়ে যেতে হবে। আইএসআইসি এই যাত্রার সূচনা মাত্র। আমরা এই ইনকিউবেশন সেন্টারটি আরও সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে উদ্যোক্তা সৃষ্টি, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই, যা একটি স্মার্ট ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ে তুলবে।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর আইসিএমএবি সদস্য ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আইসিএমএবি’র প্রেসিডেন্টের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেনআইসিটি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট সিদ্ধার্থ ঘোষাল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইসিএমএবি’র কাউন্সিল সদস্য ও সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সেলিম, আইস-প্রেসিডেন্ট মো. কাউসার আলম, এবং কাউন্সিল সদস্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।