বিচারক দম্পতির বাসা থেকে ৯ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার চুরি, এক মাসেও উদ্ধার হয়নি

বিচারক দম্পতির বাসা থেকে ৯ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার চুরি, এক মাসেও উদ্ধার হয়নি

খাগড়াছড়ি শহরের তালুকদারপাড়ায় বিচারক দম্পতির বাসায় চুরি হওয়ার এক মাস পার হলেও ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। উদ্ধার হয়নি চুরি হওয়া মালামাল। চোরেরা ওই বাসা থেকে প্রায় নয় লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায় বলে থানায় মামলা করেন ওই দম্পতি। 

গত ৯ সেপ্টেম্বর ঘটনাটি ঘটে। খাগড়াছড়ি সদর থানার তালুকদারপাড়ার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের চারতলা ভবনের তিনতলায় বসবাস করে আসছেন বিচারক দম্পতি। তারা হলেন—অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম আদালত) মোহাম্মদ মোস্তাইন বিল্লাহ এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয় আদালত) শায়লা শারমিন। তারা স্বামী-স্ত্রী।

এ ঘটনায় ওই দিনই সদর থানায় মামলা করেছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সেরেস্তাদার মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার দিন সকালে আদালতে যান বিচারক দম্পতি। এ সময় তাদের বড় সন্তান আহিয়ান বাড়িতে ছিল। বেলা ১১টার দিকে দরজায় তালা লাগিয়ে কলেজে যায় আহিয়ান। বিকালে ওই দম্পতি বাসায় ফিরে দেখেন দরজার তালা ভাঙা। ঘরের জিনিসপত্র ছড়িয়ে আছে। পরে তারা দেখেন, স্টিলের আলমারি ভেঙে স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা। চুরি যাওয়া স্বর্ণালঙ্কারের মধ্যে রয়েছে- স্বর্ণের চুড়ি দুটি (২ ভরি), গলার চেইন দুটি (১ ভরি) কানের দুল এক জোড়া (৮ আনা), গলার লকেট একটি (৮ আনা), কানের দুল ছয় জোড়া (দেড় ভরি), আংটি একটি (৮ আনা), আংটি একটি (৪ আনা)। এসব স্বর্ণালঙ্কারের মূল্য নয় লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

ওই ভবনের দুজন ভাড়াটিয়া জানিয়েছেন, দিনের বেলায় চুরির ঘটনাটি ঘটেছিল। এক মাস পেরিয়ে গেলেও চোর শনাক্ত এবং জিনিসপত্র উদ্ধার না হওয়া হতাশার। বিচারক দম্পতির ক্ষেত্রে এমন হলে সাধারণ মানুষের বাসায় চুরি হলে কী হবে; তা ভেবে আতঙ্কে আছেন তারা। 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন মৃধা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বেলা ১১টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছিল। আমার ধারণা এটি পরিকল্পিত চুরি। চোরদের শনাক্ত করতে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।’

Comments

0 total

Be the first to comment.

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা: আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি BanglaTribune | চট্টগ্রাম বিভাগ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা: আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে আদালতে...

Sep 14, 2025

More from this User

View all posts by admin