ক্রিকেট–বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের নতুন সভাপতি মিঠুন মানহাস। ভারতের সাবেক এই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারকে গতকাল রোববার বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। সভাপতি পদে একমাত্র প্রার্থী ছিলেন ৪৫ বছর বয়সী মানহাসই। রজার বিনির জায়গা নিচ্ছেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক এই কনসালট্যান্ট।
ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সুযোগ না হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্মারই ছিলেন মানহাস। বীরেন্দর শেবাগ ও গৌতম গম্ভীররা যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত, তখন দিল্লির অধিনায়ক ছিলেন। ভারতের অন্যতম সেরা ঘরোয়া ব্যাটসম্যান হিসেবেই ধরা হয় তাঁকে।
২০১৭ সালে অবসর নেওয়ার পর মানহাস মনোযোগ দেন ক্রিকেট প্রশাসনে। বিসিসিআইয়ের উপকমিটির সদস্য হিসেবে জম্মু ও কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের দেখভাল করেছেন তিনি। এ ছাড়া কোচ ও কনসালট্যান্ট হিসেবেও কাজ করেছেন আইপিএলের দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, পাঞ্জাব কিংস, গুজরাট টাইটানস এবং বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সঙ্গে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিসিসিআই সভাপতির পদটি সম্মানসূচক। নির্দিষ্ট মাসিক বা বাৎসরিক বেতন নেই। তবে ভাতা ও নানা সুযোগ-সুবিধা পাবেন তিনি, বিসিসিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষরা যে বেতন-ভাতা পান, তেমনই।
বিসিসিআই সভাপতি হিসেবে ভারতের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট, জাতীয় দলের ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে আইসিসি-সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটবিষয়ক বড় সিদ্ধান্তগুলো এখন মানহাসের হাতে। ক্রিকেটে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আর প্রশাসনিক নেতৃত্ব—দুয়ের সমন্বয়ে ভারতীয় ক্রিকেটকে কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এখন তাঁর।
সভাপতি: মিঠুন মানহাস (জম্মু ও কাশ্মীর)সহসভাপতি: রাজীব শুক্লা (উত্তর প্রদেশ)সাধারণ সম্পাদক: দেবজিত সাইকিয়া (আসাম)যুগ্ম সম্পাদক: প্রভতেজ সিং ভাটিয়া (ছত্তিশগড়)কোষাধ্যক্ষ: রঘুরাম ভাট (কর্ণাটক)আইপিএল চেয়ারম্যান: অরুণ সিং ধুমাল (হিমাচল প্রদেশ)আইপিএল জিসি সদস্য: মামন মজুমদার (মিজোরাম)অ্যাপেক্স কাউন্সিল সদস্য: জয়দেব শাহ (সৌরাষ্ট্র)