আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ হেরে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সমর্থকদের তোপের মুখে পড়েছিলেন তাসকিন আহমেদ-নাইম শেখরা। পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আক্ষেপ প্রকাশ করে বিশদ এক পোস্ট করেন নাঈম। সেখানেও ক্রিকেট অনুসারীদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। তবে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের মনে করেন, ক্রিকেটারদের কখনও এসবের জবাব দেওয়া উচিত নয়। কোচের মতে, ক্রিকেট সমর্থক ও অনুসারীদের অধিকার আছে সামাজিক মাধ্যমে যা ইচ্ছা বলার বা লেখার। তবে কোচ এটিও উল্লেখ করছেন, বর্ণবাদমূলক কোনও কিছু গ্রহণযোগ্য নয়।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ এ নিয়ে বলেন, ‘আমি খুশি যে আপনি প্রসঙ্গটি তুলেছেন। প্রথমত বলতে চাই, সামাজিক মাধ্যমে কী হচ্ছে, এসব নিয়ে ক্রিকেটারদের কিছু করার আছে বলে আমি একদমই মনে করি না। ব্যক্তি হিসেবে সবারই অধিকার আছে সামাজিক মাধ্যমে যা ইচ্ছা বলার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও জাতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তাদের অবশ্যই এসবের জবাব দেওয়া উচিত নয়।’
এরপরই বর্ণবাদমূলক নানা মন্তব্যের উদাহরণ তুলে ধরে সিমন্স বলেছেন, ‘তবে একটি কথা বলতে চাই, ক্রিকেটারদের প্রতি কোনও ধরনের বর্ণবিদ্বেষী সুর কোনোভাবেই থাকা ভালো কিছু নয়। আপনি যেখান থেকেই আসেন না কেন, আই ডোন্ট কেয়ার। কিন্তু জাকের আলির প্রতি যা হয়েছে, সেসবে আমি ক্ষুব্ধ। ভালো কিছু নয় এসব। তবে আপনাকে বলতে পারি, আমি চাই না আমার ক্রিকেটাররা সামাজিক মাধ্যমে কোনও ধরনের জবাব দেবে।’
এর বাইরেও গ্যালারি প্রায়ই জাকের আলি অনিকের উদ্দেশে ছোড়া হয় বর্ণবাদী মন্তব্য। এই বিষয়ে সতর্ক করেন বাংলাদেশ কোচ। বলেন, ‘একটি কথা বলতে চাই, ক্রিকেটারদের প্রতি কোনও ধরনের বর্ণবিদ্বেষী সুর কোনোভাবেই থাকা ভালো কিছু নয়। আপনি যেখান থেকেই আসেন না কেন, আই ডোন্ট কেয়ার। কিন্তু বর্ণবাদের যে অংশটুকু আছে। জাকের আলির প্রতি যা হয়েছে, সেসবে আমি ক্ষুব্ধ। ভালো কিছু নয় এসব। তবে আপনাকে বলতে পারি, আমি চাই না আমার ক্রিকেটাররা সামাজিক মাধ্যমে কোনও ধরনের জবাব দেবে।’