সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ঘটনায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের মামলায় বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী (বুয়েট) শ্রীশান্ত রায়ের বিরুদ্ধে করা মামলায় ২৯৫ এর ক ধারা সংযোজন করা হয়েছে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (২২ অক্টোবর) ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রে আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আজ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান সিরাজ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২৯৫ এর ক ধারা যুক্ত করার আবেদন করেন। এছাড়া শ্রীশান্ত রায়কে কারাগারে রাখার আবেদনও করেন তিনি। আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। কিন্তু তিনি জামিন শুনানি করেননি। পরে আদালত ধারাটি যুক্ত করেন। জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাতে বুয়েট শিক্ষার্থী শ্রীশান্ত রায়কে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে সাইবার নিরাপত্তা সুরক্ষা অধ্যাদেশের অধীন দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরের দিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুয়েটের নিরাপত্তাকর্মী মো. আফগান হোসেন ২২ অক্টোবর চকবাজার থানায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মামলা করেন।
মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে, আসামি বুয়েটের আহসান উল্লাহ হলে অবস্থান করে ছদ্মনাম ‘উইকলি সার্ভিস’ আইডি ব্যবহার করে মুসলিম নারী ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে গত ৮ জুন থেকে ৭ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন লেখা লেখেন। আসামি মুসলিম নারীসংক্রান্ত অশ্লীল মন্তব্য এবং ধর্মীয় ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন; যা বুয়েটের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এনেছে।