ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে লো স্কোরিং ম্যাচে ৭৪ রানের নাটকীয় এক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। যার পেছনে অবদান রিশাদ হোসেনের। ২৩ বছর বয়সী রিশাদ হোসেন শনিবার ৩৫ রানে ৬ উইকেট শিকার করে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের স্পিনারদের মধ্যে সেরা বোলিং ফিগারের রেকর্ড গড়েছেন। তার অলরাউন্ড নৈপুণ্যেই আফগানিস্তানের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশের পর জয়ের ধারায় ফিরেছে বাংলাদেশ।
শুধু বল হাতে নয়, ব্যাট হাতেও ঝলক দেখিয়েছেন রিশাদ। ১৩ বলে ২৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে ২০৭ রানে পৌঁছে দিতে ভূমিকা রাখেন তিনি। এরপর লো স্কোরিং ম্যাচে দারুণ সূচনা করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইনিংসের শুরুতে দাপট দেখালেও রিশাদের ঘূর্ণিতে ছন্দ হারিয়ে ব্যাটিং ধসে পড়ে তারা। অলআউট হয় ১৩৩ রানে।
বাংলাদেশ দলে রিশাদ আবার দুর্দান্ত ফিল্ডার হিসেবেও পরিচিত। ঝাঁপিয়ে অসাধারণ ক্যাচ কিংবা রানআউট করায় বরাবরই পারদর্শী তিনি। ম্যাচ শেষে রিশাদ বলেছেন, দলের তিন বিভাগেই অবদান রাখতে পারার বিষয়টা তাকে অনুপ্রাণিত করে, ‘অবশ্যই এটা অনুপ্রেরণার বিষয়। একজন খেলোয়াড় হিসেবে তিন বিভাগেই অবদান রাখতে পারা ভালো বিষয়। আমি চেষ্টা করি যেকোনও একটি বিভাগে নিজের ছাপ রাখার এবং শতভাগেরও বেশি দেওয়ার।’
ব্যাটার হিসেবে নিজের ভূমিকা জানতে চাইলে রিশাদ বলেন, ‘আমি যেখানে ব্যাট করি, সেখানে আমার ভূমিকা হলো দলের জন্য কিছু বাড়তি রান যোগ করা। যদি ১৮০ রান হয়, আমি চেষ্টা করি সেটা ২১০–২১৫-এ নিয়ে যেতে। সেটাই চেয়েছিলাম আর সেটা করতে পেরেছি।’
মিরপুরে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্পিনই হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের মূল অস্ত্র। তবে সমালোচনা আছে পিচ নিয়ে। কারণ এমন উইকেটে ব্যাটাররা বড় টুর্নামেন্টে গিয়ে ভালো উইকেটে খেলতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন।
মিরপুরের পিচ নিয়ে কিউরেটর টনি হেমিংয়ের সঙ্গে টিম ম্যানেজমেন্টের কোনও আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে রিশাদ বলেন, ‘না, এমন কোনও আলোচনা হয়নি। উইকেট আমাদের হাতে নেই। যেমন উইকেট পাবো, তেমনটার সঙ্গেই মানিয়ে নিতে হবে।’