ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকায় অবৈধ গ্যাস ও জ্বালানি তেল সংযোগের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। চার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ অভিযানে মোট ৮২টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ ও জরিমানা আদায় করা হয়।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে সর্বাধিক ৭০টি আবাসিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এছাড়া দুটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ‘মিস্টার কিচেন’ ও ‘পিজ্জা বয়’-এর অবৈধ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ সময় আটজন আবাসিক গ্রাহকের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা এবং দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানে প্রায় ৬০০ ফুট এমএস পাইপ, বার্নার ও ওভেন জব্দ করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে চারটি চুনা কারখানা ও তিনটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সাতটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। অভিযানে প্রায় ৮৭০ ফুট পাইপ ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি ওয়াশিং কারখানা, একটি তারের কারখানা এবং একটি আবাসিক ভবনের তিনটি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এতে প্রতি মাসে প্রায় ২৩ হাজার ২৪৫ ঘনমিটার গ্যাস সাশ্রয় হবে, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ অভিযানে ২৯০ ফুট পাইপ, দুটি বল ভালভ ও একটি কমপ্রেসর সেট জব্দ করা হয়।
এছাড়া নরসিংদীর মনোহরদীতে অনুমোদনহীন ও ভেজাল তেল বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযানে ৫৭০ লিটার ডিজেল ও ২৭৫ লিটার পেট্রল জব্দ করা হয়েছে।
সরকার বলছে, অবৈধ জ্বালানি ব্যবহার ও বিপণন বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।