এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল জ্বলে উঠেছিল। সিঙ্গাপুরকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে দেশে ফিরেছে। শেষ ম্যাচে অধিনায়ক শেখ মোরসালিন একটি গোল ও তিনটি অ্যাসিস্ট করে দারুণ নৈপুণ্য দেখান। দেশে ফিরে এখন আক্ষেপ যেন আরও বাড়ছেই। শুরু থেকে যদি এমন পারফরম্যান্স দেখানো যেতো!
এবার ভিয়েতনামে শুরুর দুই ম্যাচে ভিয়েতনাম ও ইয়েমেনের কাছে হেরে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায় শেখ মোরসালিন-ফাহামিদুল ইসলামদের।
দলের অধিনায়ক শেখ মোরসালিনের কণ্ঠে যেন আফসোস ঝড়লো। বাংলা ট্রিবিউনকে বললেন, ‘প্রথম ম্যাচে আমরা ভালো খেলতে পারিনি। তবে পরের দুই ম্যাচে উন্নতি করেছি। যদি ইয়েমেনের বিপক্ষে এক পয়েন্ট ও আসতো তাহলে আজ চূড়ান্ত পর্বে যাওয়ার সুযোগ ছিল। দুর্ভাগ্য আমাদের তা হয়নি। এটা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা। সামনে এগিয়ে যেতে হলে ভিয়েতনাম সফরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে।’
ইয়েমেনের বিপক্ষে জয়ের ভালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু আক্রমণভাগের ব্যর্থতায় সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। উল্টো মজিবর রহমান জনির লালকার্ড সর্বনাশ হয়ে দাঁড়ায়। শেষ মিনিটে গোল খেয়ে ম্যাচই হারতে হয়েছে। মোরসালিন আরও বলেছেন, ‘শেষ ম্যাচে যে মানের ফুটবল খেলেছি তা আগের দুই ম্যাচে খেলতে পারিনি। ইয়েমেন ম্যাচটি আফসোস হয়ে থাকবে। সেদিন আমরা নিজেদের ভুলে হেরেছি। মনোযোগ ধরে রাখতে পারিনি। জিততে পারলে মূল পর্বে যাওয়ার সমীকরণে থাকতে পারতাম।’
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে বাংলাদেশের করা চারটি গোলেই অবদান মোরসালিনের। নিজে করেন একটি গোল, সতীর্থের তিন গোলে করেন সহায়তা। প্রথমবার কোনও টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অধিনায়কত্ব করেছেন এই মিডফিল্ডার। মোরসালিন তাই বলেছেন, ‘দলের হয়ে চার গোলেই কারও অবদান আছে কিনা আমি জানি না। এটা আমার কাছে রেকর্ডের মতোই। সত্যি খুব উপভোগ করেছি। চেষ্টা করেছি দলকে উজ্জীবিত রাখতে। আমার ক্যারিয়ারে মাঝে ছন্দ হারিয়ে ফেলেছিলাম। এখন মনে হচ্ছে, সেটা পেছনে ফেলে এসেছি। বেশ ভালো একটি টুর্নামেন্ট গেল আমার জন্য।’