জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রোগ্রামার এ কে এম শামছুজ্জামানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (২২ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম মিয়ার আদালত এ আদেশ দেন।
দুদকের আদালত প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রোগ্রামারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা থাকায় তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম কারাগারে রাখার আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’
কারাগারে রাখার আবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রোগ্রামার এ কে এম শামছুজ্জামানের নামে ৯৯ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭৭ টাকা মূল্যের সম্পদের মধ্যে সম্পদ বিবরণীতে ৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদ গোপন করেছেন। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৭৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯৫ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন৷ সেজন্য দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৬(২) ও ২৭(১) ধারাসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় মামলা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।