দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার ম্যাট রেনশ। মঙ্গলবার ভারতের বিপক্ষে ঘোষিত ওয়ানডে দলে তাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। তবে মার্নাস লাবুশেনকে রাখা হয়নি কোনও ফরম্যাটেই।
২৯ বছর বয়সী রেনশ সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিলেন ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সেটার প্রতিপক্ষও ছিল ভারত। এবার অবশ্য তিনি ওয়ানডেতে অভিষেকের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন।
কুইন্সল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের হয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। শেফিল্ড শিল্ডে মৌসুমের প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের হয়েও তিন ওয়ানডেতে করেছেন ২৪৮ রান।
রেনশ সর্বশেষ ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দলে জায়গা পেয়েছিলেন, কিন্তু খেলার সুযোগ পাননি।
অন্যদিকে, তার সতীর্থ মার্নাস লাবুশেনকে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির কোনও স্কোয়াডেই রাখা হয়নি। আগামী ১৯ অক্টোবর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হবে সিরিজ।
প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি বলেছেন, ‘সামনে ব্যস্ত সূচি থাকায় খেলোয়াড়দের বিশ্রাম ও কাজের চাপ সামলানোর বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।’
আগামী ২১ নভেম্বর থেকে শুরু হবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে অ্যাশেজ সিরিজ, যেখানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফর্মহীনতা কাটিয়ে ফেরার আশা রাখছেন লাবুশেন।
এছাড়া সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়া মিচেল স্টার্ক ফিরেছেন ওয়ানডে স্কোয়াডে। চোট থেকে সেরে ওঠার পথে আছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাই তার জায়গা হয়নি।
অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে স্কোয়াড: মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জাভিয়ের বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, বেন ডারশুইস, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, মিচ ওয়েন, ম্যাথিউ রেনশ, ম্যাট শর্ট, মিচেল স্টার্ক, অ্যাডাম জাম্পা।
অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড (প্রথম দুই ম্যাচ): মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), শন অ্যাবট, জাভিয়ার বার্টলেট, টিম ডেভিড, বেন ডারশুইস, নাথান এলিস, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাথিউ কুনেমান, মিচেল ওয়েন, ম্যাথিউ শর্ট, মার্কাস স্টয়নিস, অ্যাডাম জাম্পা।