চোখের ডার্ক সার্কেল খুব সাধারণ সমস্যা—স্ট্রেস, ঘুম কম, স্ক্রিন টাইম, পানি কম পান করা, বয়স–সবগুলোই কারণ হতে পারে। তবে নিয়ম মেনে চললে অনেকটাই কমানো যায়, আর অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি দূরও হয়। নিচে ঘরোয়া থেকে মেডিক্যাল—সব মিলিয়ে সমাধান দেওয়া হলো।
পর্যাপ্ত ঘুম
প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন, রাত জাগা বন্ধ করুন, রাতে ফোন/ল্যাপটপ ব্যবহার কমান। তবে ঘুম ডার্ক সার্কেল কমানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
হাইড্রেশন
দিনে কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করুন। ক্যাফেইন/চা-কফি পান করা কমান। বেশি লবণ খাওয়া কমাতে হবে।
ঠান্ডা সেক
ঠান্ডা দুধে কটন ডুবিয়ে সেক দিন চোখে। ঠান্ডা শসা স্লাইস ১৫ মিনিট করে চোখের ওপরে রাখুন। গ্রিন টি ব্যাগ ফ্রিজে রেখে চোখে ১০ মিনিট রাখুন। আইস কিউব সরাসরি নয়, কাপড়ে মুড়ে ব্যবহার করতে পারেন।
এগুলো চোখের আশপাশে ব্লাড সার্কুলেশন ভালো করে।
আই–ক্রিম
রাতে ঘুমানোর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আই–ক্রিম লাগান হালকা ম্যাসাজ করে।
সানস্ক্রিন
সূর্যের ইউভি রশ্মি ত্বক কালো করে—তাই আই এরিয়াতে সানস্ক্রিন লাগানো জরুরি।
ডায়েট পরিবর্তন
খাবারে রাখুন—গাজর, পালং, ব্রকোলি, বাদাম, আখরোট, ডিম, লেবুজাতীয় ফল, মাছ। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw690896d8a77f3" ) ); মেকআপ রিমুভ
ঘুমানোর আগে চোখের মেকআপ ভালোভাবে তুলুন—নরম ক্লিনজার বা মাইসেলার ওয়াটার দিয়ে।
যে ভুলগুলো করবেন না
অতিরিক্ত ঘষাঘষি, ভারী ফোন স্ক্রিন টাইম রাতে, অতিরিক্ত চা–কফি এবং রাত জাগা।
চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে যখন
অনেক চেষ্টাতেও দীর্ঘদিনেও কমছে না। চোখে ব্যথা বা অতিরিক্ত ফোলাভাব। হঠাৎ করে গাঢ় হয়ে গেছে কালো দাগ। থাইরয়েড/অ্যালার্জি/সাইনাস আছে। কিছু ক্ষেত্রে লেজার বা ফিলার চিকিৎসা কার্যকর হতে পারে—ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শে।
এক কথায় টিপস
ঘুম + পানি + ঠাণ্ডা সেক + সানস্ক্রিন + আই ক্রিম = ডার্ক সার্কেল দূর হবে অনায়াসে।