রাজনৈতিক কারণে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের ও রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম। সোমবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালতে গ্রেফতার শুনানিকালে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীনকে এ কথা বলেন তিনি।
আজ জুলাই আন্দোলনে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় নিহত ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় আতিকুল ইসলামকে গ্রেফতার দেখানো হয়। গত ১৯ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক নজরুল ইসলাম তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। পরে তার উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। আজ সকাল ৯টার দিকে আতিকুল ইসলামকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর পৌনে ১১টার দিকে ১৪ নম্বর আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয় তাকে। পরে শুনানি শেষে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন বলেন, আজ কাঠগড়ায় অবস্থানকালে আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, রাজনৈতিক কারণে আমাকে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে, রিমান্ডেও নেওয়ার হচ্ছে। জেল-হাজতে রেখে নিষ্ঠুর আচরণ করছে।
আইনজীবী বলেন, আতিকুল ইসলামকে অন্ধকারে রেখে এ সরকার বিচার প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে। তিনি কোনও অপরাধের সঙ্গে জড়িত না। ন্যায় বিচার হলে এসব মামলায় তার কোনও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে না। তিনি ব্যবসায়ী ছিলেন। সে জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে মনোনয়ন দিয়েছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১৮ জুলাই উত্তরায় আন্দোলনে অংশ নেন ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম। ঘটনার দিন বিকাল পৌনে ৫টায় তিনি গুলিতে নিহত হন। এই ঘটনায় এ বছরের ১২ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন নিহতের ছেলে রেদোয়ান হোসেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ অক্টোবর রাজধানীর মহাখালীর ডিওএইচএস এলাকা থেকে সাবেক মেয়র আতিককে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।