এসডো’র গবেষণা: বাংলাদেশে রঙয়ে বিপজ্জনক মাত্রায় সীসা শনাক্ত

এসডো’র গবেষণা: বাংলাদেশে রঙয়ে বিপজ্জনক মাত্রায় সীসা শনাক্ত

বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া ডেকোরেটিভ রঙয়ে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৯০ হাজার পিপিএম (পার্টস পার মিলিয়ন) পর্যন্ত সীসা পাওয়া গেছে; যা অনুমোদিত সীমা ৯০ পিপিএম-এর হাজার গুণ বেশি। ক্ষুদ্র ও স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলো এক্ষেত্রে বেশি দায়ী। এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (এসডো) সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে এসডো।

সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের গবেষণায় পরীক্ষিত ১৬১টি নমুনার ৪২ দশমিক ২ শতাংশে নিরাপদ সীমার বেশি সীসা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২৬ দশমিক ২ শতাংশে ১ হাজার পিপিএমের বেশি এবং ৩ দশমিক ১ শতাংশে ৫০ হাজার পিপিএমের বেশি সীসা শনাক্ত হয়েছে। সর্বাধিক সীসা পাওয়া গেছে দেশে উৎপাদিত ক্যাঙ্গারু (১,৯০,০০০ পিপিএম), ইউরো (১,৭০,০০০) ও নাহার (৮১,০০০) ব্র্যান্ডে। অধিকাংশ উচ্চমাত্রার সীসাযুক্ত রঙ ছিল হলুদ বা সোনালি-হলুদ।

এসডোর চেয়ারম্যান সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ জনস্বাস্থ্য রক্ষায় অবিলম্বে সব রঙ থেকে সীসা নির্মূলের আহ্বান জানান।

সংস্থার নির্বাহী পরিচালক সিদ্দীকা সুলতানা বলেন, “সীসাযুক্ত রঙ প্রতিটি পরিবার ও শিল্পীর জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।”

এসডোর সিনিয়র টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার ড. শাহরিয়ার হোসেন বলেন, “আইন থাকলেই হবে না, কার্যকর বাস্তবায়নই আসল চ্যালেঞ্জ।”

গবেষণায় দেখা গেছে, মাল্টিন্যাশনাল ব্র্যান্ডগুলো নিরাপদ মাত্রা মেনে চললেও ক্ষুদ্র ও স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলো নিয়মভঙ্গ করছে। এক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক সেফটি লেবেল, নিয়মিত পণ্য পরীক্ষা, বাজার তদারকি জোরদার এবং লেড ক্রোমেট পাউডারের ব্যবহার বন্ধে কার্যকর নীতি প্রণয়নের সুপারিশ করেছে এসডো।

Comments

0 total

Be the first to comment.

জুলাইয়ের মামলা থেকে বাঁচানোর কথা বলে চাঁদাবাজি, ৩ সমন্বয়ক কারাগারে BanglaTribune | অন্যান্য

জুলাইয়ের মামলা থেকে বাঁচানোর কথা বলে চাঁদাবাজি, ৩ সমন্বয়ক কারাগারে

জুলাই আন্দোলনের মামলা থেকে অব্যাহতির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং সাড়ে পাঁ...

Sep 12, 2025

More from this User

View all posts by admin