এসি বিস্ফোরিত হওয়ার ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল হলেও কয়েক বছরজুড়ে বেশ কয়েকটি ঘটনা শঙ্কা তৈরি করেছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধলপুর এলাকায় একটি বাসায় এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের চার জন দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। কয়েকটি নির্দিষ্ট কারণে এটি ঘটতে পারে। সচেতন থাকলে বেশিরভাগ ঝুঁকি এড়ানো যায়।
যেসব কারণে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে
ভেতরের তারে সমস্যা বা পুরনো তারের কারণে শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন ও বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এসি লাগানোর সময় বিশেষ খেয়াল করতে হবে। পুরনো লাইনের ক্ষেত্রে হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া এসির কমপ্রেসর ও ক্যাপাসিটরে চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।
এসির গ্যাস লিক হলে তা দাহ্য পরিবেশ তৈরি করতে পারে, যা স্পার্কের সংস্পর্শে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। মাঝে মাঝে গ্যাস লাইন পরীক্ষার মাধ্যমে এটি এড়ানো যায়।
কমপ্রেসরে ত্রুটি থাকলে, অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে বিস্ফোরিত হতে পারে।
এসির চারপাশে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকলে অতিরিক্ত তাপ জমে যায়, যা বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ড ঘটাতে পারে। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68ce8a47649e7" ) ); কী ধরনের সাবধানতায় বিপদ কাটাবে
বছরে অন্তত ১–২ বার সার্ভিস ও গ্যাস প্রেসার চেক করান।
সার্ভিসিংয়ের পরে লম্বা সময় বন্ধ থাকলে ছাড়ার আগে পুনরায় সার্ভিস করানো দরকার।
ভোল্টেজের সমস্যা এড়াতে স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করুন।
খরচের কথা না ভেবে এসির জন্য আলাদা ব্রেকার ও মানসম্মত তার ব্যবহার করুন।
কোনও অস্বাভাবিক গন্ধ বা গ্যাস লিক সন্দেহ হলে সঙ্গে সঙ্গে মেরামত করান।
একই লাইনে ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওভেন ইত্যাদি ভারী যন্ত্র একসাথে চালাবেন না।
যে কোনও মেরামত বা ইন্সটলেশনে প্রশিক্ষিত কারিগরের সাহায্য নিন।