দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১১৭। তখন তানজিদ হাসান অপরাজিত ছিলেন ৬১ রানে। তার সঙ্গে ছিলেন জাকের আলী। কিন্তু ১৮তম ওভারেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। রোমারিও শেফার্ডের বল কাট করতে গিয়ে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ তুলে দেন তানজিদ। তাতে তার ৪৮ বলে ৬১ রানের ইনিংসটি সেখানেই থামে। একই ওভারে ১৮ বলে ১৭ রান করা জাকেরও আউট হন। ঠিক তখনই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
এরপর তো রান রেটের চাপে ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। পরের ওভারে জেসন হোল্ডারের বলে শামীম হোসেনও আউট হন। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৩৫ রানে থামে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ড। স্বাগতিকরা ১৪ রানে হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজও জিতে নেয় ২-০ ব্যবধানে। এই হার বাংলাদেশের টানা চারটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের ধারায় ছেদ টেনেছে। বিপরীতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য এটি ছিল তিনটি সিরিজ হারের পর প্রথম সিরিজ জয়।
ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে তানজিদ স্বীকার করেন, উইকেট কঠিন হলেও এই রান তাড়া করা অসম্ভব ছিল না, ‘সত্যি বলতে কী, উইকেট যেমনই হোক না কেন, ১৫০ রান তাড়া করা সম্ভব ছিল। এটা আসলে আমাদের ব্যাটারদের ব্যর্থতা। আমরা কেউ দায়িত্ব নিতে পারিনি। বেশি কিছু বলার নেই, হয়তো আজ আমাদের দিন ছিল না। এখন আমাদের ভাবতে হবে কীভাবে এই ব্যর্থতা থেকে ফিরে আসা যায়।’
অন্যদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওপেনার আলিক আথানেজ ৩৩ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলে শাই হোপের (৩৬ বলে ৫৫) সঙ্গে ১০৫ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। তিনিও জানান, উইকেট পুরো ম্যাচজুড়ে ব্যাটিংয়ের জন্য ভালোই ছিল। তিনি দলের বোলারদের কৃতিত্ব দেন তুলনামূলক কম স্কোরের পরও সেটি ডিফেন্ড করার জন্য, ‘আমার মনে হয়, ম্যাচ যত এগোয় উইকেট আরও ভালো হয়ে যায়। সাধারণত রাতে খেলার সময় শিশির ব্যাটসম্যানদের সাহায্য করে। কিন্তু আজ আমাদের বোলাররা দারুণ বোলিং করেছে, তারা নিখুঁত জায়গায় বল ফেলেছে। এখন আমাদের লক্ষ্য সিরিজটা ৩-০ ব্যবধানে শেষ করা।’