হংকংয়ের বিপক্ষে এক গোলে পিছিয়ে থাকলেও পরে সমতা আসে রাকিবের গোলে। তাতে করে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে হংকংয়ের মাঠে আর হার দেখতে হয়নি বাংলাদেশকে। তবে সমতাসূচক গোলের নায়ক রাকিব হোসেনের আফসোস রয়ে আছে।
১০ জনের হংকংকে শেষ দিকে বাংলাদেশ চেপে ধরেছিল। ফাহামিদুল নিজেই সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন। পরবর্তীতে যদিও এক পয়েন্ট নিশ্চিত হয়। রাকিব তাই ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ রহমতে গোল করতে পেরেছি। শেষ ১৫ দিন আমরা অনেক কষ্ট করছি। এটা কষ্টের ফল। আমরা ম্যাচটা অনেক ভালো খেলেছি। প্রতিটা প্লেয়ার অনেক পরিশ্রম করেছে, যার কারণে ম্যাচটা ড্র করতে পেরেছি। আজকের ম্যাচটা জিততে পারতাম। কিন্তু অনেক সুযোগ নষ্ট করেছি। ড্র হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।’
হংকংয়ের মাঠ দেখে অভিভূত রাকিব, ‘এখানকার ফ্যাসিলিটি, স্টেডিয়াম সবকিছুই আলাদা আমাদের দেশ থেকে। এমন একটা মাঠ আমাদের প্রাপ্য। দেশের বাইরে যখন খেলতে আসি, তখন আমাদের প্রতিকূলতার মধ্যে খেলতে হয়। এমন একটা মাঠ থাকলে এর থেকেও ভালো রেজাল্ট উপহার দিতে পারতাম।’
হংকংয়ের বিপক্ষে ঢাকায় ৪-৩ গোলে হারতে হয়েছিল। আজও পয়েন্ট হারাতে হয়েছে। রাকিবের দুই ম্যাচ নিয়ে মূল্যায়ন, ‘আমরা শেষ ম্যাচ ও এই ম্যাচে ভালো খেলেছি। যদি ভাগ্য পাশে থাকতো প্রথম ম্যাচটা ড্র আর এই ম্যাচ জিততে পারতাম। কারণ প্রথমে একটা ছোট ভুলে গোল হজম করি। তারপর আমরা অনেক সুযোগ পাই। কিন্তু কাজে লাগাতে পারিনি। পুরো দল অনেক ভালো খেলেছে, যার কারণে আজ একটা ভালো খেলা উপহার দিতে পেরেছি। ৪৫ হাজার দর্শকের সামনে খেলাটা সহজ না। আমরা এটা ম্যানেজ করতে পেরেছি, খুব ভালো লাগছে।'
বাংলাদেশের জার্সিতে গোল করতে পারাটা অনেকটাই আনন্দের। গর্বেরও। রাকিব নিজের অনুভূতি নিয়ে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের জার্সি পরাটাই অনেক গর্বের। আজ জার্সি পরতে পেরেছি, দেশের হয়ে গোল করতে পেরেছি। আসলে সত্যিই অনেক ভালো লাগছে। আমার এবং দলীয় প্রচেষ্টায় আজ গোলটা করতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ।’