অটোরিকশাচালক অমন্ত সেন তঞ্চঙ্গ্যাকে সুদে ৩৫ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন রজন্ত তঞ্চঙ্গ্যা (২৩)। এ টাকা নিয়েই একসময় দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে অমন্ত সেনকে হত্যা করেন রজন্ত। হত্যার পর খালের মধ্যে ভাসিয়ে দেন লাশ।
১৫ সেপ্টেম্বর রাতে বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনায় রজন্ত তঞ্চঙ্গ্যাকে আজ শনিবার ভোরে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্যগুলো জানায় পুলিশ। আজ দুপুর ১২টায় জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন হয়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার বলেন, হত্যার পর লাশ গুম করার জন্য লাশ রোয়াংছড়ি তারাছা খালে ফেলেন রজন্ত তঞ্চঙ্গ্যা। পরদিন সন্ধ্যায় সাঙ্গুনদে ক্যচিংঘাটা এলাকায় লাশটি ভেসে আসে। তদন্তে প্রমাণ পাওয়ার পর ভোরে রজন্তকে রোয়াংছড়ি বাজারের বাসস্টেশন এলাকার নাথিংপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রজন্ত তঞ্চঙ্গ্যা এই এলাকার মৃত চন্দ্র কুমার তঞ্চঙ্গ্যার পালিত ছেলে। অটোরিকশাচালক অমন্ত সেন তঞ্চঙ্গ্যাও একই এলাকার বাসিন্দা।
সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাকের আহমেদ বলেন, ধারের টাকা নিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে দুজনের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি ও মারামারি হয়। একপর্যায়ে রজত তঞ্চঙ্গ্যা গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে অমন্ত সেনকে হত্যা করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রজন্ত হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনাস্থলেও গাছের গুঁড়ি ও রক্তাক্ত কাপড়চোপড় পাওয়া গেছে।