পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে জেলা ও সেশন আদালত প্রাঙ্গনে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে কমপক্ষে ৩৬ জন। এদের চারজন নারী ও চারজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) আদালতে অবস্থিত বিচারিক কমপ্লেক্সের বাইরে হামলাটি চালানো হয়। হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তান তালেবান (টিটিপি)। তবে হামলার পেছনে ভারতের হাত আছে বলে অভিযোগ করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন ও জিও নিউজ এ খবর জানিয়েছে।
ঘটনাস্থলে থাকা নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আত্মঘাতী হামলাকারী আদালত ভবনের প্রবেশমুখে বিস্ফোরণ ঘটায়। ফলে আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি বলেন, হামলাকারী প্রায় ১২ মিনিট ধরে আদালত ভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। প্রথমে তিনি আদালতের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ব্যর্থ হলে পুলিশের একটি গাড়ি লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ ঘটান। এ ঘটনায় আহতদের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
এই বিস্ফোরণ ছিল প্রায় তিন বছরের মধ্যে ইসলামাবাদে প্রথম বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলা।
হামলার সময় ইসলামাবাদে একাধিক আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান চলছিল। এর মধ্যে ইন্টার-পার্লামেন্টারি স্পিকার্স কনফারেন্স এবং ষষ্ঠ মারগাল্লা সংলাপ অন্যতম। এছাড়া পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণে একটি ত্রিদেশীয় ক্রিকেট সিরিজও চলছিল, যার একটি ম্যাচ মঙ্গলবার রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত হয়।