ইউনাইটেডের জার্সি পরে আসায় নিজেদের কর্মীকে ছাঁটাই করল ম্যান সিটি

ইউনাইটেডের জার্সি পরে আসায় নিজেদের কর্মীকে ছাঁটাই করল ম্যান সিটি

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে পরশু রাতে ‘ম্যানচেস্টার ডার্বি’তে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে পাত্তা পায়নি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিটির কাছে ৩–০ গোলে হারে ইউনাইটেড।

তবে সেই হারের দুঃখ দ্বিগুণ হয়েছে ইউনাইটেডের ‘সমর্থক’ এক পানশালাকর্মীর জন্য। ইতিহাদ স্টেডিয়ামের পানশালায় কাজ করা সেই কর্মচারী ‘ডার্বি’ চলাকালে ইউনাইটেডের জার্সি পরে ছিলেন। সেটিই মূলত কাল হয়েছে তাঁর জন্য।

সেই পানশালাকর্মীর ছবি সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে দেখা যায়, কালো জ্যাকেটের ভেতরে ইউনাইটেডের জার্সি পরে সেই ব্যক্তি গ্রাহকদের জন্য বিয়ার ঢালছেন।

তাঁর গায়ের জার্সিটি ইউনাইটেডের ২০১৮-১৯ মৌসুমের—কালো রঙের অ্যাওয়ে জার্সি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, সিটির এক সমর্থক ক্লাবের ফ্যান পেজে বিষয়টি ছবিসহ জানান। পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি নিয়ে একজনের মন্তব্য, ‘এই লোক সেখানে ঢুকল কীভাবে!’ আরেকজনের প্রশ্ন, ‘সে আসলে কী ভেবে এটা করেছে?’ আরেকজন লিখেছেন, ‘পুরোপুরি হাস্যকর। ম্যান সিটি ডার্বির দিনে এক পানশালাকর্মীকে ইউনাইটেডের জার্সি পরতে দেওয়া হলো!’

সমালোচনার জবাবে সিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে আনার জন্য ধন্যবাদ। আমরা নিশ্চিত করছি, ওই ব্যক্তিকে ইতিমধ্যে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ পানশালাকর্মীর পক্ষেও অবস্থান নেন। জার্সি পরার কারণে চাকরি থেকে ছাঁটাই করাটা অতিরিক্ত হয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেন কেউ কেউ। একজনের মন্তব্য, ‘কারও এমন জার্সি পরে আসা কীভাবে চিন্তার বিষয় হয়! একেকটা সসেজ রোলের দাম ৪ পাউন্ড। এটাই আসল অন্যায়।’

আরেকজনের মন্তব্য, ‘ডার্বির দিনে একটু মজা করার জন্য বা হয়তো চ্যালেঞ্জ হিসেবে জার্সি পরে ছিল। তাই বলে চাকরি চলে যাবে? কী আজব ক্লাব!’

অন্য একজন লেখেন, ‘চাকরি থেকে সরানোটা বাড়াবাড়ি, তবে ছেলেটির কাজ সত্যিই একটু বোকামি ছিল। ভিলা পার্কে যদি কোনো সিটি সমর্থক ইউনাইটেডের মতো আচরণ করত, তখনো মানুষ ভালোভাবে নিত না।’

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin