হ্যামিলটনে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে দুর্বল ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সুইং, গতি আর বাউন্সে ছিন্নভিন্ন ছেড়েছে নিউজিল্যান্ড। তাদের ১৬১ রানে অলআউট করে সিরিজের শেষ ম্যাচ জিতেছে ৪ উইকেটের ব্যবধানে। তাতে কিউইরা ৩-০ ব্যবধানে ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইটওয়াশ করেছে।
এই সিরিজ জয়ে ঘরের মাঠে কিউইদের আধিপত্য আরও পোক্ত হয়েছে। ২০২০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ঘরের মাঠে মাত্র দুইটি ওয়ানডে হেরেছে নিউজিল্যান্ড।
ঘরের মাঠে টানা দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জয়ের তালিকায় নিউজিল্যান্ডের ১১ জয়ের চেয়ে বেশি আছে শুধু দক্ষিণ আফ্রিকার—১৭টি।
চোটের কারণে দলে না থাকা বর্তমান এক নম্বর র্যাঙ্কধারী ব্যাটার ড্যারিল মিচেলের অনুপস্থিতি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। রান তাড়ায় নেমে ১১ ওভারের মধ্যেই টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারায় তারা। অল্পতে আউট হন টম ল্যাথামও (১০)। তবে মার্ক চ্যাপম্যান এবং মাইকেল ব্রেসওয়েল মিলেই রান তাড়ায় ইনিংস গুছিয়ে নেন।
চ্যাপম্যান ৬৩ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৬৪ রানের ঝড়ো ইনিংসে দলকে ম্যাচে ফেরান। অন্যদিকে ব্রেসওয়েলও ছিলেন আগ্রাসী। দুজন মিলে মাত্র ৪৮ বলে পঞ্চম উইকেটে যোগ করেন ৭৫ রান।
জয়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে চ্যাপম্যান (৬৪) ও অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার (৯) ফিরলেও ৩০.৩ ওভারে জয় নিশ্চিত করেন ব্রেসওয়েল ও জ্যাক ফোকস। ব্রেসওয়েল ৩১ বলে ৬ চারে ৪০ রানে অপরাজিত ছিলেন।
ক্যারিবীয়দের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন ম্যাথু ফোর্ডে ও জেইডেন সিলস।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করে ৩৬.২ ওভারে ১৬১ রানে অলআউট হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সর্বোচ্চ ৩৮ রানের স্কোর আসে রোস্টন চেজের ব্যাট থেকে। তাছাড়া ২৬ রান করেন ওপেনার জন ক্যাম্পবেল। শেষ দিকে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন খ্যারি পিয়েরে।
কিউইদের হয়ে ৪৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা ছিলেন ম্যাট হেনরি। ২৭ রানে দুটি করে নেন জ্যাকব ডাফি ও মিচেল স্যান্টনার। একটি করে নিয়েছেন কাইল জেমিসন ও জ্যাক ফোকস। ৭ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরা জেমিসন।