মানহানির মামলা করছেন অনন্ত-বর্ষা

মানহানির মামলা করছেন অনন্ত-বর্ষা

ঢালিউডের জনপ্রিয় তারকা জুটি অনন্ত জলিল ও বর্ষা। বাস্তব জীবনেও তারা সুখী দম্পতি। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই দম্পতির দাবি, মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই ভিত্তিহীন মামলার কারণে তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সম্মানহানি হয়েছে বলেও পাল্টা অভিযোগ করেন তারা।

সেজন্য অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে মানহানি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন অনন্ত জলিল।

মুঠোফোনে অনন্ত জলিল জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘আমার ও বর্ষার বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের চরিত্র হনন করার জন্য এসব করা হচ্ছে। আমরা এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছি। মানহানির মামলা করব আমরা।’

জানা গেছে, রাব্বি টেক্সটাইল নামের একটি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার স্বত্ত্বাধিকারী ইলিয়াস মিয়া গত ২০ আগস্ট মামলাটি দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন এ জে আই গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনন্ত জলিল, তার স্ত্রী আফিয়া নুসরাত বর্ষা, এবি অ্যাপারেলস লিমিটেডের মার্চেন্ডাইজার আকরাম, মুনির ও কামরুল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আকরাম, মুনির এবং কামরুল বিভিন্ন সময়ে বুকিংয়ের মাধ্যমে রাব্বি টেক্সটাইল থেকে কাপড় নিয়েছেন। বুকিংয়ের মাধ্যমে ২০১৯ সালের ৪ অগাস্ট তারা ২০ হাজার গজ কাপড় ডেলিভারি নেন। এরপর দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এলসি না খুলে ‘টালবাহানা’ করতে থাকেন। এ অবস্থায় রাব্বি টেক্সটাইলের মার্কেটিং অফিসার নাজিম মৃধা এবং সিনিয়র মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ ইমদাদ রাসেলের কাছ থেকে ডেলিভারির মূল চালান এম এ জলিলের নির্দেশে অডিটর আব্দুর রহিম জোর করে রেখে দেয়।

পরবর্তীতে চালানের মূল কপিগুলো চাইতে গেলে অডিটর আব্দুর রহিম নানা রকম টালবাহানা করে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। রাব্বি টেক্সটাইলের মার্কেটিংয়ের লোকজন একাধিকবার বিভিন্ন সময় গেলে নানা অজুহাতে অফিসে ঢুকতে বাধা প্রদান করে, মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ডেলিভারি করা ২০ হাজার গজ কাপড়ের মূল্য ৮ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় ১০ লাখ টাকা।

এদিকে পুরো বিষয়টিই ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অনন্ত-বর্ষা দম্পতি।

এমআই/এলআইএ/জেআইএম

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin