শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাষষ্ঠীতে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ভক্তদের ঢল নেমেছে। নারী-পুরুষের পাশাপাশি উৎসবে মেতেছে শিশুরাও। দুর্গোৎসব ঘিরে মন্দির সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। কাঁসর, ঘণ্টা, শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে মন্দির প্রাঙ্গণ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি এতে অন্য ধর্মের অনুসারীরাও শামিল হয়েছেন।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সরেজমিন দেখা গেছে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় প্রতীমার সামনের পর্দা উঠতেই হই-হুল্লোড় আর উলুধ্বনি শুরু হয়। পূজা অর্চনার পাশাপাশি বিভিন্ন গান ও নৃত্যের ঝঙ্কারে উচ্ছ্বাসে সৃষ্টি হয় ভিন্ন আবহ।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68d93cced4049" ) );
সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে ষষ্ঠী উৎসবের উদ্বোধন করেন মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এর আগে, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পঞ্চমীতে দেবীর বোধন (জাগ্রত) সম্পন্ন হওয়ার পর রবিবার থেকে শুরু হয়েছে মহাষষ্ঠী।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বোধনের নিয়মাবলি যথাযথ অনুসরণ করেই এই বন্দনা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বোধন প্রক্রিয়ায় রয়েছেন তিন জন পুরোহিত। তারা হলেন, মন্দিরের উপদেষ্টা পুরোহিত প্রণব চক্রবর্তী এবং অন্যতম পুরোহিত বরুণ চক্রবর্তী ও ধর্মদাস মুখোপাধ্যায়।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68d93cced407b" ) );
পুরোহিত প্রণব চক্রবর্তী বলেন, দেবীর বোধন হয় ষষ্ঠীতে সায়ংকালে অর্থাৎ সূর্যাস্তের পরে, এটাই নিয়ম। সে অনুযায়ী শনিবার সকাল ৯টা ১৮ মিনিট পর্যন্ত পঞ্চমী ছিল। এরপর থেকে ষষ্ঠী শুরু হয়।
পাঁচ দিনের এ শারদ উৎসব আগামী ২ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।