পুরুষরা স্বাভাবিকভাবে নারীদের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান, যুক্তিবাদী বা যোগ্য– এই বিশ্বাস এখনও অনেক সংস্কৃতিতে প্রচলিত একটি ভুল ধারণা। অথচ গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে, নারী ও পুরুষের সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় কোনও বড় পার্থক্য নেই। তবুও এ ধরনের ভুল ধারণা সমাজে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করে, মেয়েদের অনেক পেশা বা শিক্ষাক্ষেত্রে অংশগ্রহণের আগ্রহ কমিয়ে দেয় এবং লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য আরও বাড়িয়ে তোলে।
অনেক সময় মেয়েদের এমন বিষয় পড়তে নিরুৎসাহিত করা হয়, যেগুলোতে ‘অসাধারণ মেধা’ দরকার হয় বলে মনে করা হয়। আর ছেলেরা মনে করে, শুধু জন্মগত মেধাই তাদের এগিয়ে নেবে, পরিশ্রম বা চেষ্টা নয়। এ ধরনের ভুল ধারণা আমাদের বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করে। এতে সহানুভূতি ও সহযোগিতার মতো গুণগুলোকে অবমূল্যায়ন করা হয়, যা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের পথে বাধা।
এই লেখাটি পুরুষদের কথিত ‘বুদ্ধির শ্রেষ্ঠত্ব’ নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণাকে প্রশ্ন করে এবং এমন একটি শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের আহ্বান জানায়, যেখানে সব ধরনের প্রতিভা ও সক্ষমতাকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে এবং লিঙ্গসমতাকে উৎসাহিত করা হবে।
অনেক সমাজে, বিশেষ করে যেসব সমাজ পুরুষতান্ত্রিক চিন্তাধারায় গঠিত, সেখানে একটি ভুল বিশ্বাস এখনও টিকে আছে যে, পুরুষরা নারীদের চেয়ে স্বাভাবিকভাবে বেশি বুদ্ধিমান, যুক্তিবাদী বা যোগ্য। এই ভুল ধারণা সমাজের প্রত্যাশা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নীতিতে গভীরভাবে প্রভাব ফেলছে। এই মিথ বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এতটাই গেঁথে আছে যে, মানুষের বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গিতেই পার্থক্য দেখা যায়।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68e9d7440a004" ) );
উদাহরণস্বরূপ, পশ্চিমা সমাজগুলোতে (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি) সাধারণভাবে মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের বেশি বুদ্ধিমান মনে করা হয়। এসব দেশে পুরুষরা প্রায়ই নিজেদের নারীদের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান বলে মনে করেন। এমনকি ছেলেসন্তানের বাবা-মারাও তাদের সন্তানকে মেয়ের তুলনায় বেশি মেধাবী ভাবেন এবং এই প্রবণতা অধিক মানুষের মধ্যে লক্ষণীয়। তবে এ ধরণের পক্ষপাতমূলক ধারণা যে শুধু পশ্চিমা দেশগুলোতেই সীমাবদ্ধ তা নয় বরং এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং আফ্রিকার অনেক দেশেও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে একই ধরনের মানসিকতা দেখা গেছে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই লিঙ্গভিত্তিক ভুল ধারণা মেয়েদের আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলে। ফলে তারা এমন পেশাগুলো থেকে দূরে সরে যেতে পারে, যেগুলো সমাজে ‘অত্যন্ত বুদ্ধিমানদের জন্য’ বলে ধরা হয় (যেমন: বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গবেষণা ইত্যাদি)।
লিঙ্গভিত্তিক বুদ্ধিমত্তার ধারণার সামাজিক ও ঐতিহাসিক ভিত্তি
এই মিথের পেছনে কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই বরং এটি তৈরি হয়েছে শত শত বছর ধরে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য ও জ্ঞান থেকে নারীদের বঞ্চিত করার কারণে। অতীতে নারীদের শিক্ষা, সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল তাদের অযোগ্যতার কারণে নয় বরং ইচ্ছাকৃতভাবে সামাজিক বিধিনিষেধের মাধ্যমে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নারীদের এই অনুপস্থিতিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যেন তারা কম যোগ্য।
আধুনিক নিউরোসায়েন্স ও মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গেছে, নারী ও পুরুষের মধ্যে বুদ্ধিমত্তার দিক দিয়ে কোনও বড় পার্থক্য নেই। হ্যালপার্ন (২০১২) ব্যাখ্যা করেছেন, কিছু কিছু কাজ বা দক্ষতায় গড়পড়তা পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু সেগুলো মূলত শেখার সুযোগ, শিক্ষা ও সমাজের প্রত্যাশা থেকে তৈরি হয়; কোনও জেনেটিক বা শারীরিক পার্থক্যের কারণে নয়।
আন্তর্জাতিকভাবে পরিচালিত শিক্ষামূলক পরীক্ষা পিআইএসএ’র ফলাফল বলছে, অনেক দেশে মেয়েরা পড়া-লেখায় ছেলেদের চেয়ে ভালো করছে। ছেলেরা সামান্য এগিয়ে আছে গণিতে, তবে লিঙ্গ সমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই পার্থক্যও কমে আসছে।
বুদ্ধিমত্তায় লিঙ্গভিত্তিক পার্থক্যের সামাজিক ও বায়োলজিক্যাল দিক
পুরুষ ও নারীর মধ্যে কিছু বৈশিষ্ট্যে পার্থক্য থাকলেও তা বুদ্ধিতে কারও প্রাকৃতিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে না। এই পার্থক্যগুলোর পেছনে মূলত রয়েছে দীর্ঘদিনের বিবর্তনগত প্রক্রিয়া এবং সমাজ দ্বারা নির্ধারিত ভূমিকা ও প্রত্যাশা।
উদাহরণস্বরূপ, বিবর্তনমূলক মনোবিজ্ঞানের মতে, আদিকালে নারী ও পুরুষের আলাদা কাজে সম্পৃক্ত থাকার ফলে কিছু শারীরিক সামর্থ্য ও আচরণগত প্রবণতা গড়ে উঠেছে। তবে এগুলো জন্মগত বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
একইভাবে সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া, যেমন-পরিবার ও শিক্ষা ব্যবস্থায় ছেলে-মেয়ে ভেদে আলাদা প্রত্যাশা রাখা হয়; যা ছোটবেলা থেকেই তাদের আত্মবিশ্বাস, পেশাগত লক্ষ্য এবং নিজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলে।
এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, বুদ্ধিমত্তায় কোনও মৌলিক বা স্বাভাবিক পার্থক্য নেই; বরং পরিবেশ, সামাজিক কাঠামো ও সাংস্কৃতিক প্রভাব একজন মানুষের দক্ষতা কীভাবে প্রকাশ পাবে এবং সমাজ সেটাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবে তা নির্ধারণ করে।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68e9d7440a036" ) );
লিঙ্গভিত্তিক মিথের প্রভাব: অংশগ্রহণ, আত্মবিশ্বাস ও অসমতা
পুরুষরা স্বাভাবিকভাবে নারীদের তুলনায় বেশি যুক্তিবাদী ও বুদ্ধিমান– এই ধরনের বিশ্বাস লিঙ্গ-সমতা অর্জনের পথে বড় বাধা তৈরি করে। এই ভুল ধারণা মেয়েদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয় এবং ছোটবেলা থেকেই তাদের স্বপ্ন বা উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সীমিত করে রাখে। ফলে তারা শিক্ষা, পেশা বা নেতৃত্বের জায়গায় পুরোপুরি অংশ নিতে পারে না। শিশুদের মনেও এ ধরনের বিশ্বাস গেঁথে যায়, যা তারা চারপাশের সমাজ, সংস্কৃতি ও মিডিয়া থেকে শেখে। এসব ধারণা তাদের নিজেদের এবং অন্যদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রভাব ফেলে, বিশেষ করে বুদ্ধিমত্তা ও সফলতা নিয়ে।
এই বড় মিথের একটি সাধারণ প্রকাশ হলো এ ধারণা করা যে, ছেলেরা স্বাভাবিকভাবে গণিত বা বিজ্ঞান বিষয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের চেয়ে ভালো। গবেষণায় দেখা গেছে, এ ধরনের ধারণা মেয়েদের আত্মবিশ্বাসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং তাদের গণিত বা যুক্তিভিত্তিক পেশার প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দেয়।
প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই বৈষম্য আরও স্পষ্ট। ইউনেস্কোর (২০২১) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে গবেষকদের মধ্যে নারীর সংখ্যা ৩০ শতাংশেরও কম। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মতো সেক্টরে তারা এখনও পর্যাপ্ত স্বীকৃতি, মেন্টরশিপ এবং উন্নতির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই নয়, স্বাস্থ্যসেবা বা পরিবার পরিকল্পনার মতো নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও পুরুষের মতামতই বেশি গুরুত্ব পায়, ফলে নারীদের প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার অনেক সময় উপেক্ষিত থাকে।
এছাড়া, পুরুষরা বুদ্ধিতে এগিয়ে– এই বিশ্বাস শুধু বৈষম্যই বাড়ায় না, বরং বুদ্ধিমত্তার সংজ্ঞাকে সংকীর্ণ করে তোলে। এটি যুক্তি ও কর্তৃত্বের মতো গুণগুলোকেই বেশি মূল্য দেয়, কিন্তু সহমর্মিতা ও সহযোগিতার মতো সমান গুরুত্বপূর্ণ গুণকে অবহেলা করে। অথচ প্রকৃত বুদ্ধিমত্তা অনেক রকম হতে পারে। যদি আমরা বুদ্ধিমত্তাকে লিঙ্গভিত্তিক ধারণায় সীমাবদ্ধ রাখি, তাহলে তা ব্যক্তির বিকাশ ও সমাজে ন্যায়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
ভুল ধারণা ভেঙে সমতার দিকে এগিয়ে যাওয়া
কগনিটিভ সাইকোলজি নিশ্চিত করে যে পুরুষ ও নারীর মধ্যে সামগ্রিক বুদ্ধিমত্তায় কোনও পার্থক্য নেই। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে দক্ষতায় সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে, তবে সামগ্রিক বুদ্ধিমত্তায় কোনও তাৎপর্যপূর্ণ ব্যবধানের প্রমাণ নেই। এ তথ্য এটাই প্রমাণ করে যে, এই মিথটি বৈজ্ঞানিকভাবে ভিত্তিহীন এবং সামাজিকভাবে ক্ষতিকর।
তবুও এই মিথের ওপর বিশ্বাস এখনও ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্য সীমাবদ্ধতা তৈরি করে। যখন প্রতিভাকে জন্মগত ও পুরুষালি বৈশিষ্ট্য হিসেবে ধরা হয়, তখন ছেলেরা দ্রুত শেখার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এবং পরিশ্রম ও প্রচেষ্টাকে মূল্যায়ন করে না; যার ফলে তারা অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থতার সম্মুখিন হয় এবং পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। অন্যদিকে মেয়েরা সাধারণত এমন সব সেক্টর এড়িয়ে চলে যেগুলোতে ‘অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা’ প্রয়োজনীয় বলে মনে করা হয়। তারা এ
সব সেক্টর তাদের দক্ষতা বা জ্ঞানের সল্পতার কারণে এড়িতে চলে না, বরং দীর্ঘদিনের সামাজিক প্রচলিত ধারণা তাদের এসব সেক্টর এড়িয়ে চলতে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের মধ্যে বিজ্ঞানে নারীদের অংশগ্রহণ কম (ফিজিক্সে ২০ শতাংশের নিচে), অথচ মলিকুলার বায়োলজিতে ৫০ শতাংশের বেশি। সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক শাখায় পার্থক্য আরও স্পষ্টভাবে দেখা যায়। যেমন, দর্শন ও অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা ৩৫ শতাংশেরও কম, অথচ আর্ট হিস্টরিতে তা ৭৫ শতাংশের বেশি। উভয় ক্ষেত্রেই কঠোর সামাজিক লিঙ্গভিত্তিক ধারণা নারীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত অগ্রগতিকে সীমিত করে এবং বৈষম্যকে আরও দৃঢ় করে। যদিও অনেক পশ্চিমা দেশে উচ্চশিক্ষায় নারীরা এখন পুরুষদের ছাড়িয়ে গেছে এবং ওইসিডি দেশগুলোর বেশিরভাগ শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণ ৪০ শতাংশের বেশি, তবুও কিছু ক্ষেত্রে গ্লাস সিলিং রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ইউরোপে বড় বড় করপোরেশনগুলোর পরিচালনা পর্ষদের মাত্র ২৩ দশমিক ৩ শতাংশ সদস্য এবং ৫ দশমিক ১ শতাংশ সিইও নারী।
এই মিথ ভাঙতে হলে এমন ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা জরুরি, যা লিঙ্গভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলাবে, বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন ধরণকে স্বীকৃতি দেবে এবং যোগ্যতাকে পুরুষত্বের সঙ্গে যুক্ত করবে না। এর মানে হলো মেয়েদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত বিষয়গুলোর দিকে আগ্রহী করে তোলা, নারীদের নীতি নির্ধারণ, সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নেতৃত্বের ভূমিকা নিতে সাহসী করে তোলা।
পুরুষরা নারীদের তুলনায় বেশি যুক্তিবাদী ও বুদ্ধিমান– এই ধারণা চ্যালেঞ্জ করা সবার জন্যই উপকার বয়ে আনবে। কারণ এতে মানুষ লিঙ্গ নয়, নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দেয়। তারা এটা ধরে নেয় না যে, তারা শুধু লিঙ্গের কারণেই যোগ্য, কিংবা অন্যরা কম যোগ্য।
লিঙ্গ নয়, যোগ্যতাই হোক মূল্যায়নের মানদণ্ড
লিঙ্গভিত্তিক ভুল ধারণা দূর করার উদ্দেশ্য এই নয় যে, নারীরা স্বাভাবিকভাবে পুরুষদের চেয়ে বেশি যোগ্য এই দাবি করা। বরং আসল লক্ষ্য হলো, এই সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা যে, একজন মানুষের মূল্য, মেধা বা সম্ভাবনা তার লিঙ্গ দ্বারা নির্ধারিত হয় না। একটি সত্যিকারের ন্যায়ভিত্তিক সমাজ সব মানুষের ভিন্ন ভিন্ন দক্ষতা ও প্রতিভাকে মূল্যায়ন করে এবং লিঙ্গ নির্বিশেষে তা বিকাশের সুযোগ দেয়।
পুরুষরাই বেশি বুদ্ধিমান– এই ভুল ধারণা ভাঙা খুব গুরুত্বপূর্ণ, যদি আমরা এমন একটি বিশ্ব গড়তে চাই যেখানে মেয়েরা তাদের আর্থিক বা ভৌগোলিক অবস্থান যেমনই হোক না কেন নিজেদের একজন বিজ্ঞানী, করপোরেট অফিসার কিংবা রাজনৈতিক নেতা হিসেবে কল্পনা করতে পারে। এমন সমাজে নারীর নেতৃত্বকে ‘অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ’ বা ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বলে খাটো করা হবে না, বরং যোগ্যতাকে দেখা হবে কঠোর পরিশ্রম, চরিত্র ও দক্ষতার প্রকাশ হিসেবে, জন্মগত লিঙ্গের ভিত্তিতে নয়।
ইউথ পলিসি ফোরাম ও ‘অধিকার এখানে, এখনই’ প্রকল্পের যৌথ প্রয়াসের মিথবাস্টার সিরিজের এটি দ্বিতীয় পর্ব। এই প্রকল্প নিয়ে আরও জানতে ভিজিট করুন-https://ypfbd.org/ypfrhrn/
লেখক: মো. তানবিন জামান রিয়াদ, ইয়ুথ অ্যাম্বাসেডর, আরএইচআরএন, ওয়াইপিএফ