রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একটি বাসা থেকে তানহা বিনতে বাশার (২০) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকালে মরদেহ উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ ঘটনায় নিহত তানহার বাবা আবুল বাশার মোহাম্মদপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।
তানহা রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) বিবিএ চতুর্থ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকাল ৫টার দিকে খবর পেয়ে তানহার বাবা বাসায় এসে মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে মঙ্গলবার সকাল তার ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিয়ে যায় স্বজনরা।
তানহার বাবা আবুল বাশার বলেন, “কিছুদিন ধরে সাইমুন নামের একজন যুবক তানহার সঙ্গে খারাপ আচরণ করছিল এবং মানসিক চাপ দিচ্ছিলো। আমরা ধারণা করছি, তার চাপের কারণেই আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে।”
নিহত তানহার সহপাঠী তাসমিম আলম নাগর অভিযোগ করে বলেন, “সাইমুন ইউল্যাবের শিক্ষার্থী। তানহাকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করছিল সাইমুন। তার প্ররোচনায়ই তানহা মারা গেছে। আমরা বিচার চাই।”
মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”