আবুধাবির প্রতিশোধ দুবাইয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে টাইগাররা। বাংলাদেশকে দারুণ জয়টা এনে দিয়েছেন জোড়া ফিফটি হাঁকানো সাইফ হাসান ও তাওহিদ হৃদয়।
দুর্দান্ত এই জয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালের সমীকরণে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। সুপার ফোরে বাংলাদেশ তাদের পরবর্তী দুটি ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে। এর যেকোনও একটি ম্যাচ জিতলেই ফাইনালের সমীকরণ উজ্জ্বল হবে বাংলাদেশের।
তাই ম্যাচ জিতে পুরস্কার বিতরণী পর্বে সতীর্থদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক লিটন দাস। শুরুতেই ব্যাটিং ইউনিটকে নিয়ে লিটন বলেন, এশিয়া কাপের আগে আমরা কয়েকটি সিরিজ খেলেছিলাম, সেখানে লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছি। তাই জানতাম আমাদের ব্যাটিং ইউনিট ভালো অবস্থায় আছে।
এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আগ্রাসী মেজাজে ছিলেন লঙ্কান ব্যাটাররা। তবে বল হাতে কার্যকর ভূমিকায় দেখা গেছে মুস্তাফিজুর রহমানকে। ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেছেন।
তাকে নিয়ে লিটন বলেন, আমরা জানি মুস্তাফিজ কতটা কার্যকর। উইকেটটাও দারুণ ছিল। মুস্তাফিজ আর তাসকিন ১৯তম ও ২০তম ওভারে ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেয়। একসময় মনে হচ্ছিল স্কোর ১৯০ হবে।
এদিন ৪৫ বলে ৬১ রানের সময়োপযোগী ইনিংস খেলেছেন ওপেনার সাইফ হাসান। তাকে নিয়ে লিটন বলেন, আমি জানি সাইফের এমন সামর্থ্য আছে, যে দলকে ম্যাচ জেতাতে পারে। আমরা আগেই ভেবেছিলাম সংযুক্ত আরব আমিরাতে ও ভালো ব্যাট করবে। ওর চরিত্র জানি, খেলার ধরনও জানি। এ ধরনের ম্যাচ তাড়া করে জিতলে পরের ম্যাচের জন্য বাড়তি অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়। তবে আবারও আমাদের সেরাটা খেলতে হবে। নতুন ম্যাচ, নতুন প্রতিপক্ষ—নিজেদের সেরা খেলাটাই তুলে ধরতে হবে।
প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কার নেয়ার সময় সাইফ বলেন, ব্যাটিংয়ের জন্য উইকেট খুব ভালো ছিল। আমি শুধু শটগুলোর টাইমিং ঠিক রাখার চেষ্টা করেছি। লিটন আমাকে সাহায্য করছিলেন। তার সঙ্গে ব্যাটিং করা সহজ ছিল। তিনি অনেক সাপোর্ট দিচ্ছিলেন, পরের বল কী হতে পারে সেটা বলে দিচ্ছিলেন।
দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে খুশি সাইফ যোগ করেন, দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে খুব ভালো লাগছে। আমাদের প্রস্তুতিটাও ভালো ছিল। তাদের বোলারদের বিরুদ্ধে আমাদের একটা ভালো পরিকল্পনা ছিল, আর সেটা কাজে দিয়েছে।
/এমএইচ