নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি জেন-জি আন্দোলনে নিহতদের শহীদ ঘোষণা করেছেন। নিহতদের পরিবারকে ১০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের বিনা খরচে চিকিৎসার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যোগ দেওয়ার পর এ ঘোষণা দেন কার্কি। তবে বিভাজন ও দাবিদাওয়ার কারণে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ স্থগিত হয়ে গেছে। জেন-জি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
সুশীলা কার্কি বলেছেন, নিহতদের মরদেহ নিজ নিজ স্থানীয় এলাকায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভা গঠনের নির্দিষ্ট সময় এখনও বলা যাচ্ছে না। এক-দুই দিনের মধ্যে মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি চলছে।
জেন-জির কিছু সদস্য জানিয়েছেন, রবিবারই কয়েকজন মন্ত্রী শপথ নেবেন বলে আশা ছিল। কিন্তু দিনের শেষে শপথ অনুষ্ঠান হয়নি।
প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের তথ্য কর্মকর্তা অর্চনা খাদকা অধিকারী বলেছেন, যদি শপথ হতো, তবে আমাদের জানানো হতো। সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত সব কর্মকর্তা অপেক্ষায় ছিলেন, কিন্তু কোনও বার্তা আসেনি।
এদিকে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ নিয়ে জেন-জি শিবিরে দ্বন্দ্ব তীব্র হয়েছে। চিকিৎসক ও রাজতন্ত্রী কর্মী দুর্গা প্রসাই মন্ত্রিসভায় জায়গা চান। কিন্তু তরুণদের একটি অংশ তা মানতে নারাজ। অন্যদিকে কাঠমান্ডুর মেয়র বালেন্দ্র শাহকে অন্তর্ভুক্ত করার আলোচনা চলছে। ধরান মেয়র হর্ক সামপাংও প্রতিনিধিত্ব দাবি করছেন।
এই বিভাজন ও দাবিদাওয়ার কারণে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ স্থগিত হয়ে গেছে। এমনকি রবিবার রিপোর্টার্স ক্লাবে জেন-জি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
জেন-জি নেতা অনিল বানিয়া বলেছেন, আমরা বিশেষজ্ঞদের পাঠাচ্ছি। প্রাথমিক কাজ চলছে, দ্রুতই নাম চূড়ান্ত হবে। নতুন মন্ত্রীরা শপথ নিলেও সচিবালয়ের পুরোনো আমলাতান্ত্রিক কাঠামো বহাল থাকবে না।
সূত্র: নেপাল নিউজ, খবর হাব