‘নেশা করলে প্রমাণ দিক বা ডোপ টেস্ট করুক’

‘নেশা করলে প্রমাণ দিক বা ডোপ টেস্ট করুক’

আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানে ১৪তম সাউথ এশিয়ান গেমস রয়েছে। অন্য ডিসিপ্লিনের মতো তায়কোয়ান্দোতেও অংশ নেবে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে তায়কোয়ান্দো দলের অনুশীলন চললেও সমস্যা রয়েই আছে। ২০১৯ এসএ গেমসে স্বর্ণপদক জয়ী দীপু চাকমাকে সপ্তাহখানেক আগে আবাসিক ক্যাম্প থেকে বহিষ্কারের পর আজ বুধবার খেলোয়াড়দের একটি অংশ বর্তমান কমিটির পদত্যাগ দাবি করে মানব বন্ধন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে চিঠিও দিয়েছে। 

দীপু চাকমাকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফেডারেশন। ফেডারেশনের সহ-সভাপতি হাসানুজ্জামান বাবলু আজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘গত ২৫ বছর যারা ফেডারেশনকে ব্যবহার করে ব্যবসা বাণিজ্য করে আসছিল তাদের অনুসারীদের কেউ কেউ মানববন্ধন ও আমাদের পদত্যাগ দাবি করেছে। যারা তায়কোয়ান্দো ক্যাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে তাদের একজন হলো দীপু চাকমা। সে সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে অন্যদের নিয়ে আমাদের বিপক্ষে উস্কে দিতো। বিকেএসপির মতো প্রতিষ্ঠানে থেকে নিয়ম ভঙ্গ করে আসছিল। রাত জাগতো, গান বাজনা করতো। ওখানে তার নেশা করাটাও অস্বাভাবিক কিছু নয়। আমরা স্হানীয় চার কোচের কথা অনুয়ায়ী দীপুকে বহিষ্কার করেছি। এছাড়া নতুন কোরিয়ান কোচ নিয়েও ফেসবুকে খারাপ ভাষায় লিখেছে ও।’ 

এসব অভিযোগ নিয়ে দিপু বলেছেন, ‘১৪ অক্টোবর নতুন কোচের আসা নিয়ে এমনিতেই একটি পোস্ট দিয়েছিলাম ফেসবুকে। একটু ভুল ছিল আমার। এছাড়া প্রতিদিন খেলোয়াড়দের জন্য জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে বরাদ্দ ছিল ৩৫০ টাকা করে। ওই হিসেবে এক মাসে খেলোয়াড়দের হাতখরচ বাবদ ভাতা পাওয়ার কথা সাড়ে ১০ হাজার টাকা। সেই টাকা ঠিকমতো দেওয়া হয়নি। খাওয়া নিয়ে সমস্যা ছিল। সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে সবার হয়ে সমস্যার কথা কর্মকর্তাদের বললেই রোষানলে পড়তে হয়েছিল। এসব কারণে আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আর সাধারণ সম্পাদক বলেছেন আমি নাকি নেশা করি। নেশা করলে প্রমাণ দিক বা ডোপ টেস্ট করুক।’

 

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin