মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে, তিনি জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করবেন এবং ওয়াশিংটন ডিসিকে ফেডারেল নিয়ন্ত্রণে আনবেন। কারণ মেয়র মুরিয়েল বাউজার বলেছেন,শহরের পুলিশ ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) সঙ্গে সহযোগিতা করবে না। সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এমন হুমকি দেন ট্রাম্প। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লিখেছেন,কেবল কয়েক সপ্তাহেই এই ‘জায়গা’ পুরোপুরি বদলে গেছে।কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো কার্যত কোনো অপরাধ নেই।
ট্রাম্পের পোস্টের বিষয়ে বাউজারের অফিস সঙ্গে সঙ্গে কোনও মন্তব্য করেনি।
ট্রাম্পের মতে, যদি পুলিশ আইসিইর সঙ্গে সহযোগিতা বন্ধ করে দেয়, তাহলে ‘অপরাধ পুনরায় ছড়িয়ে পড়বে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওয়াশিংটন ডিসির জনগণ ও ব্যবসার উদ্দেশ্যে বলছি, চিন্তা করবেন না, আমি আপনাদের সঙ্গে আছি এবং এটি ঘটতে দেব না। আমি জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করব এবং প্রয়োজনে ফেডারেল নিয়ন্ত্রণে আনব!!!’
ট্রাম্পের এই হুমকি সমালোচকদের চোখে ফেডারেল কর্তৃত্বের সীমা লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ ইতিমধ্যে দুই হাজারেরও বেশি সেনা শহরে টহল দিচ্ছে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী রাস্তায় নামার পর। গত আগস্ট মাসে ট্রাম্প ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের পরও এমন বিক্ষোভ হয়েছিল। তখন ট্রাম্প বলেছিলেন, রাজধানীতে অপরাধ এক ধরনের ‘কলঙ্ক’ এবং আইন-শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য এ মোতায়েন প্রয়োজন।
এর আগে ট্রাম্প মহানগর পুলিশ বিভাগকে সরাসরি ফেডারেল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন এবং ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাতাদেরকে রাস্তায় মোতায়েন করেন। এর মধ্যে আইসিই সদস্যরাও ছিল। এই মিশন কবে শেষ হবে তা এখনো পরিষ্কার নয়।
বাউজার পূর্বে ট্রাম্পের ফেডারেল আইন প্রয়োগকারীদের উপস্থিতিকে প্রশংসা করেছিলেন। কারণ তখন তা অপরাধ কমিয়েছিল। তিনি সম্প্রতি একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন যাতে শহরটি ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে।
ন্যাশনাল গার্ড ৫০টি অঙ্গরাজ্যের গভর্নরের অধীনে থাকে। তবে ফেডারেল পরিষেবায় ডাকা হলে তা সরাসরি প্রেসিডেন্টের অধীনে চলে আসে। ডিসির ন্যাশনাল গার্ড সরাসরি প্রেসিডেন্টের কাছেই রিপোর্ট করে।