সিলেটে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা শ্রমিক ও তাদের সমর্থনে আন্দোলনকারী সিপিবি, বাসদ ও ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি। তারা অবিলম্বে সব গ্রেফতার করা শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানিয়েছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়, “ব্যাটারিচালিত যান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও ১১ দফা দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর দমন-পীড়ন সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তির লঙ্ঘন। আমরা মনে করি, ইজিবাইক বন্ধ করা নয়, বরং নিয়মতান্ত্রিক উন্নয়ন ও নীতিমালা প্রণয়নই সমস্যার সমাধান হতে পারে।”
কমিটি সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়ে আট দফা দাবি পেশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে- গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি, শ্রমিকদের অংশগ্রহণে নতুন নীতি প্রণয়ন, রুট ও যান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু, সার্ভিস রোড ও বাইপাস নির্মাণ, স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব ব্যাটারির প্রচলনে ভর্তুকি প্রদান।
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্যদের পক্ষ থেকে বিবৃতিটি পাঠিয়েছেন আনু মুহাম্মদ, ড. সামিনা লুৎফা নিত্রা, ড. মাহা মির্জা, ডা. হারুন উর রশীদ, ডা. নাজমুস সাকিব, আকরাম খান, মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, ফেরদৌস আরা রুমী, সজীব তানভীর, বৈশাখী রিথি, রাফিকুজ্জামান ফরিদ, দিলীপ রায়, ছায়েদুল হক নিশান, তাওফিকা প্রিয়া, ফারহানা শারমীন ইমু, রাফসান আহমেদ ও আফজাল হোসেন।