পিএসজির গোল উৎসব, লিভারপুলের ‘লাস্ট মিনিট শো’ আর বায়ার্নের জয়

পিএসজির গোল উৎসব, লিভারপুলের ‘লাস্ট মিনিট শো’ আর বায়ার্নের জয়

জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের মিশন শুরু করল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। মুকুট ধরে রাখার মিশনে দাপুটে পারফরম্যান্সে আতালান্টাকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে প্যারিসের ক্লাবটি।

ইউরোপ সেরার মঞ্চে নেমে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই মার্কিনিউসের গোলে উদযাপন শুরু। এগিয়ে যাওয়ার পর একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে তারা। ৩৯ মিনিটে কাভারাস্কেইয়া কোণঠাসা হয়ে পড়া আতালান্টার জাল কাঁপালে দুই গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় প্যারিসিয়ানরা।

অবশ্য পেনাল্টি মিস না করলে প্রথমার্ধেই আরও বাড়তে পারতো ব্যবধান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আরেকটি গোল করে জয়ের পথে এগিয়ে যায় পিএসজি। স্কোরশিটে নাম লেখান নুনো মেন্দেস। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ডি-বক্সের মধ্যে থেকে বাঁ পায়ের শটে আতালান্তার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড রামোস।

এদিকে, রোমাঞ্চকর এক ম্যাচে ভ্যান ডাইকের ‘লাস্ট মিনিট শো’তে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল। ২০২৫-২৬ মৌসুমে শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোল করাকে মুড়িমুড়কির মতো সহজ বানিয়ে ফেলেছে লিভারপুল। এই ‘লাস্ট মিনিট শো’কে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম নাম দিয়েছে স্লট টাইম। অর্থাৎ লিভারপুল কোচ আর্নে স্লটের নামের সাথে মিলিয়ে এই নামকরণ। আপনার কি মনে পড়ছে ফার্গি টাইম?

অ্যানফিল্ডে ম্যাচের ৬ মিনিটের মধ্যেই দুই গোলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। রবার্টসন জালে বল জড়ানোর পর স্কোরশিটে নাম লেখান মোহাম্মদ সালাহ। অনেকটা নিজেদের ছায়া হয়েই ছিল অ্যাটলেটিকোর ফুটবলাররা। আলভারেজ ও আলমাদা এই ম্যাচে না থাকা এবং শুরুতেই দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর অ্যাটলেটিকো ম্যাচে ফিরতে পারে– এমনটা হয়তো অনেকেই কল্পনা করেননি।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এক গোল শোধ করেন ডিফেন্ডার মার্কোস ইয়োরেন্তে। ৮১ মিনিটে আবারও জালের দেখা পান স্প্যানিশ এই রাইটব্যাক। ম্যাচ যখন ড্রয়ের পথে, ঠিক তখনই ত্রাতা হয়ে আসেন ভ্যান ডাইক। অন্তিম মুহূর্তে হেডে গোল করে জয় দিয়েই ম্যানেজার আর্নে স্লটকে ৪৭তম জন্মদিনের উপহার দেন লিভারপুল অধিনায়ক।

অন্যদিকে, আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বায়ার্ন উপহারসূচক প্রথম গোল পেয়ে যায় ম্যাচের ২০ মিনিটে। চেলসির সেন্টার ব্যাক চালোবাহ নিজের জালে বল জড়ালে এগিয়ে যায় বাভারিয়ানরা। কিছুক্ষণ পরেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কেইন। তবে ২৯ মিনিটে মালো গুস্তোর পাস থেকে এক গোল শোধ করে চেলসিকে ম্যাচে ফেরানোর আভাস দেন ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় কোল পালমার।

দ্বিতীয়ার্ধে চেলসিকে তেমন কোনো সুযোগই দেয়নি বায়ার্ন। ম্যাচের ৬৩ মিনিটে চেলসির ভুলের সুযোগটা হাতছাড়া করেননি ইংলিশ স্ট্রাইকার কেইন।

এই গোলে নতুন এক রেকর্ডের সাক্ষী হয়েছেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও নেইমারের পর তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে হ্যারি কেইন চ্যাম্পিয়নস লিগে দুটি ক্লাবের হয়ে ২০টির বেশি গোল করলেন।

/এএম

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin