প্রথম আলো :
আপনাদের কেন ভোট দেবে?
তাসিন খান: প্যানেলে সংগঠক, কবি-সাহিত্যিক, পাহাড়ি, সনাতন সবাই আছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় দলের, লীগের, শিবিরের ক্যাম্পাস নামে পরিচিত হোক—এটা চাই না। ক্যাম্পাস নিয়ে আমাদের কাজ, চিন্তাভাবনা—সবকিছু মিলিয়ে আমরা ভোটে আশাবাদী।
প্রথম আলো :
নারী ভোট কেমন প্রত্যাশা করছেন?
তাসিন খান: যখন ভিপি পদে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিই, বিভিন্ন কথা শুনি। যেমন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনোই শীর্ষ পদে নারী নেতৃত্ব মেনে নেওয়া হবে না; মেয়েরাই মেয়েদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইত্যাদি। কিন্তু আমি মনে করি, এই সমাজে সিস্টারহুড (নারীদের পারস্পরিক সম্পর্ক) নামে কিছু একটা আছে, যেটা রাকসু নির্বাচনে দেখতে পাব।
প্রথম আলো :
‘ভোটব্যাংক’ কারা হতে যাচ্ছে?
তাসিন খান: আমাদের প্যানেলের জন্য সবচেয়ে বড় ভোটব্যাংক হচ্ছে সচেতন শিক্ষার্থীরা। যারা রাকসু, ক্যাম্পাস, শিক্ষাব্যবস্থা ও নিজেদের অবস্থা নিয়ে ভাবে।
প্রথম আলো :
হেরে গেলে কি রাজনীতি থেমে যাবে?
তাসিন খান: আমি ও আমার প্যানেলের এখন পর্যন্ত কারও এ রকম কোনো ইচ্ছা নেই যে ভবিষ্যতে গিয়ে রাজনীতি করবে, জাতীয় রাজনীতিতে যোগ দেবে। আমরা এই ক্যাম্পাসে কিছু করে যাব। রাকসুকে আমরা রাজনৈতিক সিঁড়ি মনে করি না।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শফিকুল ইসলাম ও সাজিদ হোসেন।