সুন্দর একটা গোছানো রান্নাঘর। কেবিনেটের মধ্যে যাবতীয় জিনিস রেখে বাহিরটা ফাঁকা করে রাখলে কাজ করতে যেমন আরাম, দেখতেও খুব ভালো দেখায়। কিন্তু রান্নাঘরের কেবিনেটের বাইরে ও ভেতরে পরিষ্কার রাখা নিয়ে যত টেনশন। রান্নার দাগ পড়ে যাবে, ধোঁয়ায় কালো হয়ে যাবে কিনা, সেখানে ধুলো জমলে কী হবে, তেল-চিটচিটে ভাব কীভাবে সামলাবেন সে এক হ্যাপা। আবার কেবিনেটের ভেতর পরিষ্কার না রাখলে ময়লা ও পোকামাকড় হবে। তাহলে কী করবেন?
নিয়মিত পরিষ্কার করুন
সপ্তাহে অন্তত একবার কেবিনেটের বাইরের অংশ এবং হ্যান্ডেল মুছে ফেলুন। তেল-চিটচিটে ময়লা দূর করতে গরম পানির সাথে কয়েক ফোঁটা লিকুইড ডিশ সোয়াপ, ১ চা চামচ বেকিং সোডা দিয়ে তৈরি মিশ্রণ একটি কাপড়ে দিয়ে মুছে নিন।
যদি দাগ দেখেন তাতেও চিন্তিত হবেন না। দাগ দূর করতে সাদা ভিনেগার ও পানি (১:১) মিশিয়ে স্প্রে করুন, ৫ মিনিট রেখে মুছে ফেলুন।
এ তো গেলো বাইরের অংশ, এবার কেবিনেটের ভেতরের যত্ন জেনে নিন। ভেতরে পেপার বা ম্যাট বিছিয়ে রাখুন। এতে ময়লা সরাসরি কাঠে না লেগে পেপারে জমবে। পেপার বা ম্যাট ১৫-৩০ দিনে একবার বদলান। ভেতরটা সবসময় শুকনো রাখুন। পানি পড়ে গেলে বা কাপড় ভেজা থাকলে তা ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। ভেজা অবস্থায় থাকলে কাঠ বা বোর্ড নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পোকামাকড় রোধে করণীয়
নিমের গুঁড়া, লবঙ্গ বা বেবি পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। কেবিনেটের কোণে রাখলে পোকা আসা কমবে। অপ্রয়োজনীয় পুরনো মসলা, কৌটা, প্যাকেট ফেলে দিন। জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখলে পরিষ্কার রাখাও সহজ হয়। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68e5286e01e38" ) ); কাঠের কেবিনেটের জন্য
কাঠ শুকনো ও চকচকে রাখতে অলিভ অয়েল বা মিনারেল অয়েল সামান্য ব্যবহার করা যায় (পরিষ্কারের পর নরম কাপড়ে হালকা ঘষে নিলে কাঠে উজ্জ্বলতা ফিরে আসে)। লেমিনেট বা মেটালের কেবিনেট শুধু সাবান পানি বা ভিনেগার-ওয়াটার মিশ্রণই যথেষ্ট। ব্লিচ, হারপিক বা খুব কড়া অ্যাসিড জাতীয় ক্লিনার ব্যবহার করবেন না—এগুলো কেবিনেটের রঙ নষ্ট করতে পারে।
এছাড়া তেল চিটচিটে ভাব যেন কম হয় সে কারণে কিচেন হুড বা চিমনি লাগাতে পারেন। এটা চুলার ঠিক ওপরে লাগানো হয়। রান্নার সময় ধোঁয়া, তেল-কণা, গন্ধ টেনে এটি বাইরে বের করে দেয়। ফলে দেয়াল, কেবিনেট পরিষ্কার থাকে। অনেকেই রান্নাঘরে বাতাস নির্গমন ফ্যান ব্যবহার করেন। এটা ধোঁয়া বাইরে বের করতে সাহায্য করে, তবে তেলের কণা ও গন্ধ ধরে রাখতে হুডের মতো কার্যকর নয়।