পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের রফতানির বিপরীতে নগদ প্রণোদনার জন্য এক হাজার কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া রেমিট্যান্সে আড়াই শতাংশ প্রণোদনার এক হাজার কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে এ অর্থ ছাড় করে।
রফতানিমুখী দেশীয় বস্ত্র, হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ, চামড়াজাত পণ্যসহ অনুমোদিত খাতের রফতানিতে এসব প্রণোদনা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে তৈরি পোশাক রফতানির বিপরীতে এক শতাংশ হারে বিশেষ নগদ সহায়তা রয়েছে। এসব প্রণোদনার প্রথম কিস্তিতে এক হাজার কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে ৯ হাজার ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে সরকার। সাধারণত চার কিস্তিতে এ অর্থ ছাড় করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ অর্থ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে দেবে। যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে সবশেষে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে পাবেন রফতানিকারকরা।
এদিকে, প্রবাসীদের রেমিট্যান্স বৈধ উপায়ে দেশে পাঠানোকে উৎসাহিত করতে আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয় সরকার। চলতি বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ করা অর্থ থেকে প্রথম কিস্তির এক হাজার কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ অর্থ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্সের বিপরীতে এ প্রণোদনা দেয়।
গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিদেশ থেকে রেকর্ড প্রায় ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাঠান প্রবাসীরা। এ রেমিট্যান্সের বিপরীতে আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিয়েছে সরকার। রেমিট্যান্স আয়ের দিক থেকে চলতি অর্থবছর ভালোভাবে শুরু হয়েছে। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৯ শতাংশ।
/এএস