সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নড়াইল-১ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তিসহ দুইজনের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ। রিমান্ড চাওয়া অপর আসামি আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক উপকমিটির সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতি মোজাম্মল হক।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আব্দুস সালাম বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এ রিমান্ড আবেদন করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুপুরে রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন।
এর আগে, বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর নিকেতনের একটি গাড়ির ‘শো রুম’ থেকে মুক্তিকে আটক করে পুলিশ। আর মোজাম্মেলকে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গুলশান-১-এর স্বপ্ন সুপারশপের সামনে থেকে আটক করা হয়। তাদের গুলশান থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, বিএম কবিরুল হক মুক্তি এবং মোজাম্মেল হক বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপে যুক্ত। এসব গ্রুপে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল ও রাষ্ট্রের অবকাঠামোকে ধ্বংসের লক্ষ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার জন্য উস্কানিমূলক প্রচার ও প্রচারণা চালান তারা। তাদের কাছ থেকে আরও তথ্য পেতে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন।
এদিকে মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১২ সেপ্টেম্বর দুপুর একটার দিকে গুলশানের ডা. ফজলে রাব্বী পার্কের পাশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উস্কানিমূলক স্লোগানসহ রাস্তায় চলাচলরত গাড়ি ভাংচুরের চেষ্টা চালায়।
এ ঘটনায় গুলশান থানার এসআই মাহাবুব হোসাইন ওইদিন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।