সিপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচ। সেই ম্যাচেই ব্যাট হাতে সাকিব আল হাসান খেললেন ৯ বলের ক্যামিও একটি ইনিংস। তার অপরাজিত ২৬* রান দলের স্কোর ৮ উইকেটে ১৬৬ পর্যন্ত নিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত জিততে পারেনি অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকনস। তাদের ৯ উইকেটে হারিয়ে কোয়ালিফায়ার দুইয়ে জায়গা করে নিয়েছে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। তাতে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে সাকিবদের।
শুরুতে টস হেরে ব্যাট করেছে সাকিবদের অ্যান্টিগা। ২১ রানে রাকিম কর্নওয়ালের উইকেট হারানোর পর স্কোরবোর্ডের মূল ভিত গড়েন ওপেনার আমির জাঙ্গো ও আন্দ্রিয়েস গাউস। দ্বিতীয় উইকেটে ১০৮ রান যোগ করেন তারা। দুজনেই বিদায় নেন ১৭তম ওভারে। জাঙ্গো ৪৯ বলে ফিরেছেন ৫৫ রানে। গাউস করেছেন ৪৫ বলে ৬১। জাঙ্গোর ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৩টি ছয়। গাউসের ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছয়। তাদের বিদায়ের সময় স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১৩০। সাকিব ১৮তম ওভারে এসেই ক্যামিও ইনিংসে স্কোরবোর্ডে রান জমা করেছেন। অথচ অপপ্রান্ত ছিল নড়বড়ে। সাকিবের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও একটি ছক্কা। যদিও এই রান যথেষ্ট ছিল না।
২৩ রানে তিনটি উইকেট নেন সৌরভ নেত্রাভালকার। দুটি করে নিয়েছেন উসমান তারিক ও আন্দ্রে রাসেল।
তার পর রান তাড়ায় ২৫ রানে শুধু একটি উইকেট হারায় ত্রিনবাগো। অবিচ্ছিন্ন বিস্ফোরক জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন অ্যালেক্স হেলস ও নিকোলাস পুরান। তাদের ১৪৩ রানের জুটিতে ১৭.৩ ওভারে জয় নিশ্চিত হয় ত্রিনবাগোর। হেলস ৪০ বলে ৩চার ও ৩ ছক্কায় ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক পুরান ৫৩ বলে অপরাজিত থাকেন ৯০ রানে। তিনি ছিলেন বেশি আক্রমণাত্মক। তার ৫৩ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৮টি ছয়।
সাকিব ৩ ওভারে ২৪ রান দিয়েও কোনও উইকেট পাননি। ৫০ রানে একটি উইকেট নেন রাকিম কর্নওয়াল।