শহরে সাম্প্রতিক সময়ে সাপের উপদ্রব বেড়েছে। অনেক সময় বাসাবাড়ি, গ্যারেজ বা বাগানেও দেখা মিলছে বিষধর বা অবিষধর সাপের। এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে কী করবেন ও কী একদমই করবেন না, তা জানা জরুরি।
সাপে কাটলে যা করবেন
শান্ত থাকুন: ভয় বা দৌড়াদৌড়ি করলে শরীরে রক্তসঞ্চালন বাড়ে, ফলে বিষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
নড়াচড়া কমান: আক্রান্ত অঙ্গ যতটা সম্ভব স্থির রাখুন। হাত বা পায়ে কামড় হলে সেটি নাড়াচাড়া করবেন না।
চাপা ব্যান্ডেজ দিন: যদি সম্ভব হয়, ক্ষতস্থানের কিছুটা ওপরে (হার্টের দিকে) হালকা প্রেশার ব্যান্ডেজ দিন, তবে রক্ত চলাচল বন্ধ করবেন না।
ক্ষতস্থানে কিছু লাগাবেন না: চুষে বিষ বের করা, ছুরি দিয়ে কাটা, হারবাল ওষুধ লাগানো—এসব একদমই করবেন না।
তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে যান: সময়ই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ সরকারি বা বড় হাসপাতালে নিয়ে যান যেখানে অ্যান্টিভেনম পাওয়া যায়।
সাপের ধরন মনে রাখার চেষ্টা করুন: সাপটি মেরে না ফেলে (কারণ তা বিপজ্জনক ও অনৈতিক) তার রঙ, আকার বা দাগ মনে রাখার চেষ্টা করুন—এটি চিকিৎসায় সহায়তা করে। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6910329298345" ) ); যা করবেন না
ক্ষতস্থানে বরফ, কফি, মদ বা কোনও রাসায়নিক লাগাবেন না।
আক্রান্ত ব্যক্তিকে হাঁটাবেন না বা দৌড়াতে দেবেন না।
সাপ মারতে যাবেন না বা ধরার চেষ্টা করবেন না।
‘ঝাড়ফুঁক’ বা ‘তাবিজ’-এর আশায় সময় নষ্ট করবেন না।
কোথায় যাবেন
ঢাকায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল—এসব জায়গায় সাপে কামড়ের চিকিৎসা ও অ্যান্টিভেনম সরবরাহ থাকে।