সামরিক সংঘাতের পর এই প্রথম এশিয়া কাপে মুখোমুখি হচ্ছে দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। ২২ গজের লড়াইকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজনীতিতে এখন ঝড় বইছে। বয়কটের ডাক দিয়েছেন অনেকে। পরিস্থিতিও উত্তপ্ত। ভারতের ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনেও উঠে আসে সেই প্রসঙ্গ। ভারতের সহকারী কোচ রায়ান টেন ডেসকাট অবশ্য খেলোয়াড়দের আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার পর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে কোনও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেনি ভারত। তবে বহুজাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার নীতি মেনে এবার এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বেই নামছে তারা। সংঘাতের ঘটনায় ভারতে চলমান জনমতের প্রভাব খেলোয়াড়দের ওপর পড়বে কি না—এমন প্রশ্নে টেন ডেসকাট বলেছেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই কিছুটা প্রভাব ফেলবে। এটি খুব সংবেদনশীল একটি ইস্যু। ভারতীয় জনসাধারণের আবেগ ও অনুভূতি খেলোয়াড়েরাও অনুভব করে।’
তিনি আরও যোগ করে বলেছেন, ‘আমরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় ছিলাম এশিয়া কাপ নিয়ে। একসময় মনে হয়েছিল হয়তো খেলতে আসা হবে না। তবে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের পর মাঠে নামতে প্রস্তুত আমরা।’
চলমান উত্তেজনা নিয়ে ডেসকাটের পরামর্শ হলো, ‘ভারত সরকারের অবস্থান সবারই জানা। এখন দলের, বিশেষ করে খেলোয়াড়দের দায়িত্ব হলো আবেগকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া। দলীয় বৈঠকেও আমরা সেটি আলোচনা করেছি।’
চলতি এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান সম্ভাব্য হিসেবে অন্তত তিনবার মুখোমুখি হতে পারে। সুপার ফোর ও ২৮ সেপ্টেম্বরের ফাইনালে ওঠার দৌড়েও দুই দলই ফেভারিট।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে ভারত। টেন ডেসকাট স্বীকার করেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ও এশিয়া কাপের শিরোপাধারী ভারতই এগিয়ে থাকবে। গত বছরের জুনে বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে ২১ ম্যাচের মধ্যে ১৮টিতেই জিতেছে তারা। পাকিস্তানের বিপক্ষেও তাদের রেকর্ড দারুণ—১৩ ম্যাচের মধ্যে জয় ১০টিতে।