গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে বাংলাদেশের মাওলানা ওমর ফারুকের আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে শুরায়ে নেজামের আয়োজনে পাঁচ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমা। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ফজরের নামাজের পর শুরু হওয়া এই জোড় ইজতেমা আগামী ২ ডিসেম্বর মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
বিশ্ব ইজতেমার ৪০ দিন আগে জোড় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। জোড় ইজতেমায় কেবল তিন চিল্লাধারী বা তদূর্ধ্ব সময়ের দেশ-বিদেশের মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেছেন। কমপক্ষে এক চিল্লার হজরত ওলামায়ে কেরাম অংশগ্রহণ করেছেন।
বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে বৃহত্তর জুমার জামাতে ইমামতি করেন বাংলাদেশের শীর্ষ মুরুব্বি হাফেজ মাওলানা জোবায়ের সাহেব।
শুরায়ে নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, জোড় ইজতেমায় হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ময়দানের উত্তর-পূর্ব কোণে টিনশেড মসজিদ ও আশপাশে অবস্থান নিয়ে ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল রয়েছেন এবং মুরুব্বিদের গুরুত্বপূর্ণ বয়ান শুনছেন।
হাবিবুল্লাহ রায়হান আরও জানান, জোড় ইজতেমার প্রথম দিন শুক্রবার বাদ ফজর বয়ান করেন বাংলাদেশের মাওলানা ওমর ফারুক। কারগুজারি করেন দিল্লির মাওলানা আব্দুর রহমান, বাদ জুমা বয়ান করবেন বাংলাদেশের মাওলানা ফারুক, বাদ আছর পাকিস্তানের মাওলানা আহমদ বাটলা, বাদ মাগরিব দিল্লির মাওলানা আব্দুর রহমান।
জোড় ইজতেমায় বিদেশি মেহমান
শুরায়ে নেজামের ৫ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমায় দেশের চিল্লাধারী মুসল্লি ছাড়াও বিশ্বের প্রায় ১৭টি দেশের ৪৩৬ জন বিদেশি মেহমান ময়দান অবস্থান নিয়েছেন। দেশের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের তথ্যমতে, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত পাকিস্তান থেকে ৩০৮ জন, ভারত থেকে ৭০ জন, কিরগিজস্তান থেকে ১০ জন, কানাডা থেকে ৯ জন, মিয়ানমার থেকে ৩ জন, ইয়েমেন থেকে ৪ জন, চীন থেকে ১ জন, সৌদি আরব থেকে ৬ জন, তিউনিসিয়া থেকে ১ জন, যুক্তরাজ্য থেকে ৭ জন, ইটালি থেকে ২ জন, নাইজার থেকে ১ জন, আফগানিস্তান থেকে ৬ জন, আমেরিকা থেকে ১ জন, জার্মানি থেকে ১ জন ও জাপান থেকে একজন মুসল্লি এসেছেন।