জাতীয় ফুটবল দলের অনুশীলন শুরু হয়েছে আগেই। হেড কোচ হাভিয়ের কাবরেরা স্পেন থেকে ফিরে মঙ্গলবার সেখানে যোগ দিয়েছেন। ফিরেই আসন্ন নেপাল ও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে জয়ের লক্ষ্যের পাশাপাশি সম্ভাব্য মিষ্টিমুখের কথাও মুখে এনেছেন তিনি। কিন্তু উপলক্ষটা কী? শুনুন কারবেরার মুখেই।
জাতীয় স্টেডিয়ামের এক কোণে দাঁড়িয়ে কাবরেরা শুরুতে বলেছেন, ‘এটাই লক্ষ্য, অবশ্যই দুইটি ম্যাচ জেতা। এর আগে নেপালের বিপক্ষে জয়ের জন্য ভালো প্রস্তুতি নেওয়া। পাশাপাশি প্রধান উদ্দেশ্য ভারতের বিপক্ষে জয়।’
নেপালের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে হচ্ছে বাংলাদেশ দলের। এটা যথাযথ হচ্ছে কিনা জবাবে কাবরেরা বলেছেন, ‘নেপাল এখন ভালো করছে। তারা ফলাফলের দিক থেকে হয়তো খুব এগিয়ে নেই, কিন্তু তারা শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও পারফরম্যান্স দেখাচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাসে নেপালে তাদের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। হ্যাঁ, আমরা আসলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলতে চাচ্ছিলাম, যারা হয়তো কিছুটা শক্তিশালী দল, কিন্তু কিছু কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। তাই নেপাল আমাদের জন্য একটি ভালো চ্যালেঞ্জ হবে।’
হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমের খেলার বিষয়ে কাবরেরা জানালেন, ‘যদি ভুল না করি, হামজা আশা করি ১০ নভেম্বরের মধ্যে পৌঁছে যাবে। সবকিছু ভালো থাকলে এবং সে শারীরিকভাবে ভালো বোধ করলে, কেন নয় — সে খেলবে। শমিত সম্ভবত একটু দেরিতে আসবে, তবে আমরা চেষ্টা করবো যাতে অন্তত কিছু সময় সে নেপাল ম্যাচে খেলতে পারে।’
জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ডাকা প্রসঙ্গে কাবরেরা নিজের যুক্তি তুলে ধরে বলেছেন, ‘আসলে তিনটি উইন্ডো একে অপরের খুব কাছাকাছি। আমরা সবসময় একইভাবে কাজ করি, একই ধরণের প্রস্তুতি নেই। তাই একই দলকে ধারাবাহিকভাবে সুযোগ দেওয়া স্বাভাবিক। এছাড়া আমরা শুরুতে ২২ জনকে ডাকি এবং পরে আরও ১২ জন যোগ করি, তাহলে দল হয়ে যাবে ৩০–৩৫ জনের। এতে অনুশীলনের মান কমে যাবে। গুরুত্বপূর্ণ হলো, খেলোয়াড়দের সংখ্যা যেন ২৫–২৭ জনের বেশি না হয়। নাহলে খেলোয়াড়দের মানের পার্থক্য অনেক বেড়ে যায় এবং অনুশীলনের গুণগত মান নষ্ট হয়। তাই আমরা প্রথমে ১৪ জন খেলোয়াড়কে ডেকেছি। ৭ তারিখ থেকে আমরা মোট ২৪ জন খেলোয়াড় নিয়ে ম্যাচের প্রস্তুতি নেবো।’
সদ্য যমজ সন্তানের বাবা হয়েছেন কাবরেরা। একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে মজা করে তাই স্প্যানিশ কোচ বলেছেন, ‘হ্যাঁ, ভারতের বিপক্ষে জয়ের পর, ভারতকে হারানোর পর আমরা আপনাদের আমন্ত্রণ জানাবো। অবশ্য.. হ্যাঁ, মিষ্টি হবে। অনেক ধন্যবাদ।’
এদিকে, ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু হচ্ছে ৫ নভেম্বর দুপুর ২ টা থেকে। ক্লাব হাউস ১০০০ ও গ্যালারির টিকিটের দাম ৩০০ টাকা রাখা হয়েছে। টিকিট পাওয়া যাবে অনলাইন প্লাটফর্ম কুইকেটে।