আগামীকাল সোমবার (৬ অক্টোবর) বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। এই নির্বাচনে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের জয় অনেকটাই নিশ্চিত। ‘টি টোয়েন্টি ইনিংস’ খেলতে এসে এখন ‘বড় ইনিংস’ খেলার অপেক্ষায় তিনি।
চার মাস হয়েছে আমিনুলের দায়িত্ব নেওয়া। আজই শেষ হচ্ছে তার আগের মেয়াদ। বিসিবি সভাপতি হিসেবে শেষ দিন সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত হয়েছিলেন আমিনুল। নির্বাচন ঘিরে যাই হোক না কেন বুলবুল মনে করেন— তিনি দেশের ক্রিকেটের জন্যই নতুন করে আবার পরিচালক হতে চাইছেন।
রবিবার (৫ অক্টোবর) মিরপুরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এখানে আমার কাছে (সরকারের) প্রভাব কিছু মনে হয়নি। আমার মনে হয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য আমার (বিসিবিতে) চালিয়ে যাওয়া দরকার। আমাকে যারা ভোট দিচ্ছেন বা ভোট দেবেন না, অথবা আপনারা (সাংবাদিক) যারা আছেন— যদি মনে করেন, আমি যথেষ্ট ভালো না, আমি চলে যেতে আগ্রহী আছি যেকোনও সময়। একইসঙ্গে এটাও বলতে চাই, আমার একটাই লক্ষ্য— বাংলাদেশ ক্রিকেট।’
ক্রীড়া উপদেষ্টার উদাহরণ টেনে বুলবুল বলেন, ‘গত মেয়াদে ক্রীড়া উপদেষ্টা আমাকে সহযোগিতা করেছেন। তাকে ধন্যবাদ দিতে চাই— তিনি মন্ত্রী পদমর্যাদার মানুষ। আপনি (উপদেষ্টা) বলছিলেন বয়কটকারীদের কথা। আমি নিজে জানি, তিনি রাত-দিন কাজ করেছেন— শুধু সুষ্ঠু নির্বাচন নয়, একটি ভালো বোর্ড গঠনের জন্যও।’
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালসহ অনেকেই সরকারের হস্তক্ষেপসহ নানান কারণে নির্বাচন থেকে দূরে সরে গেছেন। আগের দিন নির্বাচন পিছিয়ে না দিলে ৪৮টি ক্লাব কোনও ধরনের ক্রিকেটে অংশ নেবে না ঘোষণা করেছিল।
এ নিয়ে আমিনুল বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে ক্লাবের বিকল্প নেই। ক্রিকেটে তাদের অবিশ্বাস্য অবদান আছে। তাদের ভূমিকা, প্রয়োজনীয়তা, অবদান— সবকিছুই আমরা তুলে ধরবো। চেষ্টা করবো তাদের ম্যানেজ করতে। ঘুরেফিরে আমরা তো একই সমাজের মানুষ, হয়তো পারবো।’
এক প্রশ্নের উত্তরে আমিনুল বলেন, ‘ওখানে (মাঠে) তো একটা টেকনিক থাকে। আপনি একটার বেশি বাউন্সার দিতে পারবেন না, নো বল করতে পারবেন না। এখানে অনেক নো বল হয়ে গেছে।’