মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে শুরু হয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশের আঞ্চলিক জোট আসিয়ানের ৪৭তম সম্মেলন। সদস্য দেশ না হয়েও ‘আসিয়ান পার্টনার দেশ’ বা ‘ডায়ালগ পার্টনার’ হিসেবে সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার (২৬ অক্টোবর) সকালেই কুয়ালালামপুর পৌঁছেছেন তিনি। কিন্তু সম্মেলনে থাকছে না মিয়ানমার। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে মিয়ানমার এমনি আগামী বছরের আসিয়ান সম্মেলনের সভাপতিত্বও মালয়েশিয়ার কাছ থেকে গ্রহণ করবে না। এর পরিবর্তে,এই দায়িত্ব পালন করবে ফিলিপাইনস।
২০২১ সালে আসিয়ান একটি ‘ফাইভ-পয়েন্ট কনসেনসাস’ ঘোষণা করেছিল, যেখানে মিয়ানমারে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, মানবিক সহায়তা এবং সংঘাত নিরসনে সহায়তার জন্য বিশেষ আসিয়ান দূত নিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছিল। চার বছর পর সমালোচকরা বলছেন, এই উদ্যোগের প্রভাব খুব সামান্যই দেখা গেছে।
আসিয়ান পার্লামেন্টারিয়ানস ফর হিউম্যান রাইটসের সহ-চেয়ারম্যান চার্লস সান্তিয়াগো আল জাজিরাকে বলেছেন, তিনি আশা করছেন মিয়ানমার এবং গৃহযুদ্ধের পরিণতি শীর্ষ সম্মেলনে আলোচিত হবে।
তিনি বলেন, মিয়ানমারএখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সামাজিক সংহতির জন্য একটি অস্থিতিশীলতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন,এই গৃহযুদ্ধ মাদক ও অস্ত্র পাচার বৃদ্ধি করেছে এবং একই সঙ্গে শরণার্থী সংকট তৈরি করেছে।
যদিও সান্তিয়াগো মনে করেন না যে এই শীর্ষ সম্মেলন থেকে খুব বেশি ফল আসবে। তিনি বলেন,এটি সবার জন্য একটি বড় ফটো তোলার সুযোগ হবে। কিন্তু নীতিগত দিক থেকে খুব বেশি কিছু ঘটবে না।